• শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ২৯ ১৪৩১

  • || ০৫ মুহররম ১৪৪৬

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
টেকসই উন্নয়নে পরিকল্পিত ও দক্ষ জনসংখ্যার গুরুত্ব অপরিসীম বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করতে চায় চীন: শি জিনপিং চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী চীন সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-বেইজিং ৭ ঘোষণাপত্র, ২১ চুক্তি সই চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই উপযুক্ত সময় তিয়েনআনমেন স্কয়ারে চীনা বিপ্লবীদের প্রতি শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা চীন-বাংলাদেশ হাত মেলালে বিশাল কিছু অর্জন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: চীনা ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী বেইজিং পৌঁছেছেন, শি জিংপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক আজ দ্বিপক্ষীয় সফরে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী চীন সফরে যাচ্ছেন আজ সর্বজনীন পেনশনে যুক্ত হতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান শেখ হাসিনার পড়াশোনা নষ্ট করে কোটাবিরোধী আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই পিজিআরকে ‘চেইন অব কমান্ডে’র প্রতি আস্থাশীল থেকে অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিতে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির ফলে টেকসই কৃষি প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত হয়েছে এমডি পদের জন্য এত লালায়িত কেন, কী মধু আছে: প্রধানমন্ত্রী

কোন ব্লাড গ্রুপের কোন রোগের ঝুঁকি বেশি?

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০২৪  

প্রত্যেকের শরীরেই রক্ত থাকে, তবে রক্তের ধরন এক হয় না। কারও এ পজেটিভ, কারো আবার ও নেগেটিভ, এবি পজেটিভ, বি নেগেটিভ ইত্যাদি। মোট ৮ ধরনের রক্তের গ্রুপ আছে। সাধারণত রক্তের গ্রুপ হলো ৪টি-এ, বি, এবি এবং ও।

অ্যান্টিজেন ও আন্টিবডির ওপর ভিত্তি করেই রক্তের গ্রুপ নির্ধারণ করা হয়। রক্তের গ্রুপের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রক্তের আরএইচ ফ্যাক্টর। এ কারণেই রক্তের গ্রুপের সঙ্গে নেগেটিভ বা পজেটিভ বলা হয়।

শরীরের সুস্থতা কিন্তু অনেকাংশেই নির্ভর করে রক্তের গ্রুপের উপর। বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা যায়, বেশ কিছু রোগ মানুষের রক্তের ধরনের উপরও নির্ভর করে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক কোন ব্লাড গ্রুপের কোন রোগের ঝুঁকি বেশি-

>> ও গ্রুপের রক্ত যাদের শরীরে আছে, তারা হৃদরোগে কম ভোগেন। গবেষণা দেখা গেছে, ও ব্লাড গ্রুপের ব্যক্তিদের করোনারি হৃদরোগের ঝুঁকি কম থাকে। যদিও বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে নিশ্চিত নন।

>> অন্যদিকে এ, এবি ও বি রক্তের গ্রুপগুলোর ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। বিশেষত যাদের এ টাইপ ব্লাড গ্রুপ তাদের পাকস্থলীর ক্যানসারেরও ঝুঁকি বেশি। এছাড়া অগ্ন্যাশয় ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়িয়ে তুলতে পারে। গবেষকরা মনে করেন এর কারণ হতে পারে এইচ পাইলোরি সংক্রমণ। যা এ গ্রুপের রক্তে বেশি দেখা যায়। এটি একটি ব্যাকটেরিয়া যা সাধারণত পেটে পাওয়া যায়। এটি প্রদাহ ও আলসারেরও কারণ হতে পারে।

১. একটি ছোট সমীক্ষায় দেখা গেছে, অন্যান্য ব্লাড গ্রুপের চেয়ে এবি গ্রুপের ব্যাক্তিরা স্মৃতিশক্তির সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হন।

২. শরীরে কর্টিসলের মাত্রা বেড়ে গেলে স্ট্রেস হরমোনও বেড়ে যায়। এ গ্রুপের রক্ত আছে যাদের, তাদের শরীরে বেশি করটিসল থাকে। তাই এমন ব্যক্তিরা বেশি মানসিক চাপে ভোগেন।

৩. ও ব্লাড গ্রুপের ব্যক্তিরা ম্যালেরিয়ায় বেশি ভোগেন। ম্যালেরিয়ার জীবাণু আছে এমন মশা আপনাকে কামড়ালে ওই জীবাণু রক্তের মাধ্যমে আপনার শরীরেও প্রবেশ করে। ও ব্লাড গ্রুপের রক্ত আছে এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ম্যালেরিয়া বেশি দেখা দেয়।

৪. পেপটিক আলসার খুবই যন্ত্রণাদায়ক। ও ব্লাড গ্রুপের রোগীরাও এ সমস্যাতে বেশি ভোগেন।

৫. এবি রক্তের গ্রুপ থাকলে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। চিকিৎসকরা মনে করেন, অন্যান্য ব্লাড গ্রুপের তুলনায় এবি ব্লাড গ্রুপের ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি।

৬. ভেনাস থ্রোম্বোইম্বোলিজম (ভিটিই) হলো, যখন আপনার পায়ের মতো গভীর শিরায় রক্ত জমাট বাঁধে। এই জমাটগুলো কখনো কখনো আপনার ফুসফুসে চলে যায়। গবেষণায় দেখা যায় এ, বি বা এবি ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা ভিটিই’তে বেশি ভোগেন।

৭. এ ও বি ব্লাড গ্রুপের ব্যক্তিরা টাইপ ২ ডায়াবেটিসে বেশি ভোগেন। যদিও কেন এটি ঘটে সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত নন। এক্ষেত্রে আরও গবেষণা প্রয়োজন।