• বৃহস্পতিবার   ২১ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৫ ১৪২৮

  • || ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তৎপরতা প্রতিরোধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে শিশুরা বড় হবে সুন্দর পরিবেশে’ একটা অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলাদেশকে গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী আমাদের ছোট রাসেল সোনা: শেখ হাসিনা শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন করোনাকালে ১৬০০ ভার্চুয়াল সভায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশনের আওতায় ৯৯ শতাংশ মানুষ: প্রধানমন্ত্রী দেশ বিক্রি করে তো ক্ষমতায় আসবো না: প্রধানমন্ত্রী কৃষিতে ভর্তুকি দিতে বাধা দিয়েছিল বিশ্বব্যাংক: প্রধানমন্ত্রী খাদ্যের অপচয় যেনো না হয় : প্রধানমন্ত্রী অপচয় কমিয়ে সুষম পুষ্টিকর খাবারের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে সরকার মানুষের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে বিকেলে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় বিএসটিআইকে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে: রাষ্ট্রপতি সারাদেশে বিজিবি মোতায়েন যতই ঝুঁকি আসুক উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে : প্রধানমন্ত্রী বিএনপির ব্যর্থতায় ৯১’র ঘূর্ণিঝড়ে লক্ষাধিক মৃত্যু: প্রধানমন্ত্রী ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্বের আদর্শ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

অতিরিক্ত লবণ অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ায়

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১  

খাবারের স্বাদ বাড়াতে লবণের জুড়ি নেই। এক্ষেত্রে বলা চলে, যেকোনো খাবারের আসল স্বাদ পেতে লবনের বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে মিষ্টি জাতীয় খাবারের কথা ভিন্ন। তবে প্রয়োজন হলেও সব খাবারই খেতে হবে পরিমিত। লবণের ক্ষেত্রেও একই।

তরকারিতে লবণ, বাইরের খাবারে লবণ। আবার অনেকে খাবারের সঙ্গে আলাদা লবণ খান। এভাবে প্রতিদিন কত পরিমাণ লবণ গ্রহণ করা হয়, সেটার হিসাব আর রাখা হয় না। লবণ শরীরের জন্য প্রয়োজন। তবে অতিরিক্ত ক্ষতিকর।

লবণ মানেই সোডিয়াম, আর এই খনিজটির মাত্রা রক্তে যত বাড়ে, ততই পটাশিয়ামের পরিমাণ কমতে শুরু করে। যে কারণে ব্লাড ভেসেলের ওপর চাপ বাড়তে থাকে। লবণ খাওয়ার পরিমাণে যদি নিয়ন্ত্রণ আনা না যায়, তাহলে ব্লাডপ্রেশার মারাত্মক বাড়তে শুরু করে। এমনটি হলে বাড়ে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের আশঙ্কাও। 

‘ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার (ইউএসডিএ)’র তথ্যানুসারে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতিদিন ২,৩০০ মি.লি. গ্রামের বেশি সোডিয়াম বা লবণ গ্রহণ করা ঠিক নয়। যা প্রায় এক চা-চামচের সমান। ‘আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন (এএইচএ)’ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রাপ্তবয়স্কদের দৈনিক ১,৫০০ মি.লি. গ্রাম পর্যন্ত সোডিয়াম গ্রহণের পরামর্শ দেয়।

অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরা হলো- 

পানি বা ফোলাভাবের সৃষ্টি

লবণাক্ত খাবার যেমন- চিপস, ভাজা খাবার ইত্যাদি খাওয়ার পরে পেটে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। কারণ সোডিয়াম-জাতীয় খাবার খাওয়ার পরে দেহে ফোলাভাব বা ভরাভাব অনুভূত হওয়া স্বাভাবিক। এমন ফোলা বা ভরা অনুভূত হওয়ার কারণ হল, বৃক্ক (কিডনি) দেহে সোডিয়াম ও পানি ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য কাজ করে। বাড়তি সোডিয়ামের ঘাটতি পূরণে দেহের বাড়তি পানি সংরক্ষণ করে রাখে।

পানির পিপাসা

অতিরিক্ত লবণ-জাতীয় খাবার খাওয়া মুখ শুষ্ক করে ফেলে। তাই তেষ্টা বৃদ্ধি পায়। এর কারণ হলো, দেহ সোডিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখতে পানির ঘাটতি অনুভব করে। শুধু নোনতা খাবার খাওয়াই না বরং লবণ ও গরম পানি দিয়ে ‘গারগল’ করা হলেও কয়েক মিনিট পরে মুখে শুষ্ক অনুভব হয়।

রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে

একবারে যথেষ্ট পরিমাণে নোনতা খাবার খাওয়া সাময়িকভাবে রক্তচাপ বাড়ায়। এর কারণ হলো, সোডিয়াম-জাতীয় খাবার রক্তের চাপ বাড়ায়। ফলে ধনীর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে রক্ত প্রবাহিত হয়। তবে নোনতা খাবার খাওরার পরে রক্ত প্রবাহের এই ওঠা-নামা সবার মধ্যে দেখা দেয় না। তবে নিয়মিত সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া রক্তচাপ বা ‘হাইপারটেনশন’য়ের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই বাড়তি লবণ গ্রহণে সচেতন থাকা প্রয়োজন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়: অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণের দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকি হিসেবে হৃদরোগের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার ফলে রক্তচাপের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে রক্তনালী ও ধমনী সংকুচিত হয়ে যাওয়ার যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে বিভিন্ন গবেষণায়। এর ফলাফল হৃদরোগ। এমনকি অকাল মৃত্যুর ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়।