• শনিবার   ১৩ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৮ ১৪২৯

  • || ১৪ মুহররম ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যার নির্দেশ বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মানবাধিকার কমিশনকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ৪০০তম ওয়ানডে খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তা: বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার অবদান রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বঙ্গমাতার মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে বঙ্গমাতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বাধীনতার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর সারথি ছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল: রাষ্ট্রপতি ফজিলাতুন নেছা মুজিব দৃঢ়চেতা-বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী আজ বাংলাদেশে সহায়তা অব্যাহত রাখবে চীন: ওয়াং ই চীনে ৯৯ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি মায়ের দুধ শিশুর সর্বোত্তম খাবার: রাষ্ট্রপতি শেখ কামাল ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী: প্রধানমন্ত্রী শেখ কামাল ছিলেন ক্রীড়া ও সংস্কৃতিমনা সুকুমার মনোবৃত্তির মানুষ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের মর্যাদাকে সমুন্নত করবে যুবসমাজ ‘শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিখুন’ ঘাতকরা আজও তৎপর, আমাকে ও আ’লীগকে সরাতে চায়: প্রধানমন্ত্রী

নিয়ম না মানলে খাবার স্যালাইনে মারাত্মক বিপদ

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ৩০ জুলাই ২০২২  

ডায়রিয়ায় অপরিহার্য ওআরএস। তবে নিয়ম মেনে না খেলে হতে পারে বিপদের কারণ। পানিশূন্যতায় ওরস্যালাইনের ওপর ভরসা থাকলেও চিকিৎসকরা বলছেন স্যালাইন তৈরি থেকে সেবন সবকিছুতেই মানতে হবে নিয়ম। ওআরএস বা খাবার স্যালাইন। পানিশূন্যতায় এর বিকল্প নেই। বলা হয়ে থাকে গত শতাব্দীর চিকিৎসাশাস্ত্রের এক যুগান্তকরী আবিষ্কার এই খাবার স্যালাইন।

তথ্য বলছে, ষাটের দশকের শেষের দিকে আবিষ্কারের পর এই ওআরএস-এর মাধ্যমেই জীবন বেঁচেছে সাত কোটি মানুষের। ডায়রিয়া হলে শরীর থেকে প্রয়োজনীয় পানি ও লবণ কমতে থাকে। সঙ্গে সঙ্গে ঘাটতি দেখা দেয় পটাশিয়ামেরও। সেই ঘাটতি সরাসরি পূরণ করে খাবার স্যালাইন।

তাই তো গত পাঁচ দশকে সবারই জানা ডায়রিয়া বা পানিশূন্যতা মানেই ওআরএস। সময়ের ব্যবধানে এই স্যালাইন নানা নামে বাজারে থাকলেও আস্থায় ওরস্যালাইন।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. রিজওয়ানুল আহসান বিপুল বলেন, ওরস্যালাইন এন নামে যেটা পাওয়া যায়, সেটার উপকারিতা বেশি। তবে নিয়ম মেনে অর্থাৎ আধা লিটার বিশুদ্ধ পানিতে এক প্যাকেটের পুরোটা গুলিয়ে নিতে হবে। খেতে হবে বয়সভেদে নিয়ম করে। আবার একবার গুলিয়ে নিলে ছয় ঘণ্টার বেশি রাখা যাবে না খাবার স্যালাইন। নয়তো হতে পারে হিতে বিপরীত।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, শরীরে যে পরিমাণ পানিশূন্যতা হবে, সেই হিসেবেই স্যালাইন খেতে হবে। সময়মতো সঠিক পরিমাণে খাওয়াতে হবে।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের উপপরিচালক ডা. প্রবির কুমার সাহা বলেন, যত অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ আছে, প্রতিটি ওষুধের প্যাকেটের ভেতর ব্যবহারবিধি দেয়া আছে। ওই ওষুধ খেলে কী ফলাফল হবে, ডোজ ঠিক না হলে কী ক্ষতি হতে পারে, তার বিস্তারিত তথ্য দেয়া আছে। সে ক্ষেত্রে জেনে-বুঝে স্যালাইন গ্রহণ করতে হবে।