• রোববার   ২৭ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১২ ১৪২৯

  • || ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
সূচকের ওঠানামায় পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন দুপুরে সচিবদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চার করে ডা. মিলন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র: রাষ্ট্রপতি মিছিল-মিটিংয়ে আপত্তি নেই, মানুষের ওপর হামলায় সহ্য করবো না ‘যারা গ্রেনেড দিয়ে আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা? যারা উন্নয়ন দেখে না, তারা চাইলে চোখের ডাক্তার দেখাতে পারে- প্রধানমন্ত্রী অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সক্ষম হয়েছি: প্রধানমন্ত্রী যোগাযোগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সহযোগিতা চায় আমিরাত আ.লীগ স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধুর খুনিকে লালন-পালন করছে: প্রধানমন্ত্রী সচিব সভায় ১০ নির্দেশনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী ব্যাংকে টাকা না থাকার গুজবে চোরেরা সুযোগ নেবে: প্রধানমন্ত্রী ‘রিজার্ভ নিয়ে সমস্যা নেই, সব ব্যাংকে টাকা আছে’ ‘যা চাইবেন তার চেয়ে বেশি দেবো, ওয়াদা দেন নৌকায় ভোট দেবেন’ রক্ত ও হত্যা ছাড়া বিএনপি কিছু দিতে পারেনি : প্রধানমন্ত্রী বিমানবাহিনী এখন অনেক বেশি শক্তিশালী, আধুনিক ও চৌকস: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনও গতিশীল, নিরাপদ: প্রধানমন্ত্রী যশোরে বিমান বাহিনীর কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী আমাদের ছেলে-মেয়েরা একদিন বিশ্বকাপ খেলবে: প্রধানমন্ত্রী

নাক খুঁটলে মস্তিষ্কের যেসব ক্ষতি হতে পারে

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২২  

আড়ালে কিংবা প্রকাশ্যে, নাক খোঁটার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। কখনো ময়লা বার করতে কখনো অভ্যাসবশত আঙুল চলে যায় নাসিকাগহ্বরে। নাক খোঁটার ব্যাপারে কারও কারও তো স্থান-কালও খেয়াল থাকে না। 

সাম্প্রতিক একটি গবেষণা বলছে, শুধু লোকচক্ষুর ভয়ে নয়, স্বাস্থ্য ভালো রাখতেই ছাড়তে হতে পারে এই অভ্যাস।

অস্ট্রেলিয়ার গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্লেম জোনস সেন্টার ফর নিউরোবায়লোজি অ্যান্ড স্টেম সেল রিসার্চ-এর একদল গবেষক বলছেন, নাকের আঙুল ঢোকানোর অভ্যাস ডেকে আনতে পারে অ্যালঝাইমার্স ও ডিমেনশিয়ার মতো রোগ। 

একটি বিজ্ঞানে প্রকাশিত গবেষণাপত্রটি জানাচ্ছে, আঙুলের মাধ্যমে একটি বিশেষ ব্যাক্টেরিয়া পৌঁছে যেতে পারে মাথায়। আর তা থেকেই তৈরি হতে পারে স্মৃতিভ্রংশের সমস্যা। 

বিজ্ঞানীদের দাবি, এই ব্যাক্টেরিয়াটির নাম ক্ল্যামাইডিয়া নিউমোনি। এই জীবাণু নিউমোনিয়ার জন্যেও দায়ী। 
বিজ্ঞানীদের দাবি, এটি নাকের ভেতরে থাকা অলফ্যাক্টরি স্নায়ুর মাধ্যমে মাথায় পৌঁছে যেতে পারে। অলফ্যাক্টরি স্নায়ুই ঘ্রাণের অনুভূতি তৈরি করে। এই স্নায়ুটিকেই মস্তিষ্কে যাওয়ার রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করে জীবাণুটি।

বিজ্ঞানীদের দাবি, এই জীবাণুর আক্রমণে মস্তিষ্কের কোষে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। জীবাণুর আক্রমণ থেকে বাঁচতে অ্যামাইলয়েড বিটা নামের একটি প্রোটিন জমা হয় কোষে। এই প্রোটিনের সঞ্চয় অ্যালঝাইমার্স রোগের অন্যতম চিহ্ন। 

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এর আগে জানা গিয়েছিল যে ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে গন্ধের অনুভূতি কমে আসা অ্যালঝাইমার্স রোগের লক্ষণ। তা থেকেই প্রথম তাদের মাথায় আসে, গন্ধের অনুভূতিবাহী স্নায়ুর সঙ্গে এই রোগের সম্পর্কের কথা। গবেষণাটিকে অ্যালঝাইমার্সের মতো ভয়াবহ রোগ প্রতিরোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।