• বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ১৪ ১৪৩০

  • || ১৬ শা'বান ১৪৪৫

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
পুলিশ জনগণের বন্ধু, সে কথা মাথায় রেখেই দায়িত্ব পালন করতে হবে অপরাধের ধরন বদলাচ্ছে, পুলিশকেও সেভাবে আধুনিক হতে হবে পুলিশ সপ্তাহ শুরু, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে পুলিশ নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের পরীক্ষায় বারবার উত্তীর্ণ হয়েছে পুলিশ জনগণের আস্থা অর্জন করলে ভোট পাবেন: জনপ্রতিনিধিদের প্রধানমন্ত্রী জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে উন্নয়ন কাজের ব্যবস্থাটা আমরা নিয়েছিলাম কেউ যেন ভুয়া ক্লিনিক-চিকিৎসকের দ্বারা প্রতারিত না হন: রাষ্ট্রপতি স্থানীয় সরকার বিভাগে বাজেট বরাদ্দ ৬ গুণ বেড়েছে: প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকারকে মাটি-মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়তে হবে শবে বরাতের মাহাত্ম্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের কাজে আত্মনিয়োগের আহ্বান সমাজের অসহায়, দরিদ্র মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে হবে দেশের মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে বিচারকদের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধকল্পে খেয়াল রাখার আহ্বান মিউনিখ সফরে বাংলাদেশের অঙ্গীকার বলিষ্ঠরূপে প্রতিফলিত হয়েছে পবিত্র রমজানে নিত্যপণ্যের সংকট হবে না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখেই সামুদ্রিক সম্পদ আহরণের আহ্বান সমুদ্রসীমার সম্পদ আহরণ করে কাজে লাগানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর ২১ বছর সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কথা বলেনি: শেখ হাসিনা

প্রস্রাবের রং ধূসর হলে করণীয়

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৯ মার্চ ২০২৩  

শারীরবৃত্তীয় সহজাত প্রক্রিয়া হচ্ছে প্রস্রাব। যা প্রক্রিয়াটি সুস্থভাবে চললে কোনো সমস্যা নেই। তবে এখানে সমস্যা হলেই বুঝবেন শরীরে বাসা বেঁধেছে কোনো অসুখ। তাই সচেতন হওয়া ছাড়া গতি নেই। বিশেষত, যদি প্রস্রাব ধূসর হয়, তবে তো আরো বেশি করে সতর্ক হতে হবে।
আসলে আমরা পানি পান করি। সেই পানি কিডনিতে গিয়ে পৌঁছায়। কিডনি সেই পানির সঙ্গে ক্ষতিকর কিছু পদার্থ মিশিয়ে দিয়ে তৈরি করে মূত্র। তারপর তা ব্লাডারে পৌঁছায়। ব্লাডার ভর্তি হয়ে গেলে আমাদের প্রস্রাব পায়। আমরা ইউরিন করি। এই হচ্ছে পুরো প্রক্রিয়াটি।

এতে একটি স্তরে সমস্যা তৈরি হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে প্রস্রাবেই দেখতে পাবেন জটিলতার লক্ষণ। তখন সচেতন হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই বললেই চলে। এদিকে কিছু ব্যক্তির আবার হঠাৎ করেই প্রস্রাব ধূসর রঙের হয়ে যায়। এর পেছনে কিছু শারীরিক কারণ অবশ্যই রয়েছে। আসুন জানা যাক সেই সম্পর্কে।

​ওয়েব মেড জানাচ্ছে, ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন বা ইউটিআই-এর কারণে অনেক সময় এমন সমস্যা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ব্লাডার, কিডনি বা ইউরেথ্রায় হয় ইনফেকশন। প্রস্রাব ধূসর হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি এই কয়েকটি লক্ষণও থাকে, যেমন-

>> প্রস্রাবের সময় যন্ত্রণা
>> জ্বালা
>> না চাইলেও প্রস্রাব বেরিয়ে আসা
>> প্রস্রাবে গন্ধ
>> পেটে ব্যথা

এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলেই চিকিৎসকের কাছে যান। তিনি আপনাকে অ্যান্টিবায়োটিক দিতে পারেন। এই ওষুধ খেলেই ভালো থাকবেন।

>>পানি প্রতিটি ব্যক্তিকে পরিমাণ মতো খেতে হবে। তার কম হলেই শরীরে দেখা দিতে পারে বিরাট সমস্যা। এক্ষেত্রে হতে পারে ডিহাইড্রেশন। বিজ্ঞান জানাচ্ছে, পানি কম পান করলে প্রস্রাব ঘন হয়ে যায়। এই কারণে তা ধূসর বা গাঢ় রঙের হয়ে যেতে পারে। এই সমস্যা সমাধানে কোনো ওষুধ কাজে আসে না। বরং আপনাকে নিয়মিত পানিপান করতে হবে। আমাদের মতো গ্রীষ্মপ্রধান দেশে দিনে অন্ততপক্ষে তিন লিটার পানিপান করা প্রয়োজন।

>>কিডনি তৈরি করে মূত্র। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এই অঙ্গে খনিজ জমে তৈরি করে স্টোন। এই অঙ্গে পাথর তৈরি হলে প্রস্রাব ধূসর হতে পারে। এছাড়া কিডনি স্টোন থাকলে এই কয়েকটি লক্ষণও দেখা যায়- পিঠে ব্যথা, প্রস্রাব আটকে যাওয়া, প্রস্রাবে রক্ত থাকা ইত্যাদি। পাশাপাশি আক্রান্তের জ্বর আসতে পারে। এই ধরনের কোনো লক্ষণ দেখা দিলেই তাই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি। ছোট আকারের স্টোন খুব সহজেই বেরিয়ে যায়। অপরদিকে বড় আকারের স্টোন বের করতে অপারেশন করতে হয়।

>> সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ অত্যন্ত সমস্যার এক রোগ। অসাবধানতার সঙ্গে শারীরিক ঘনিষ্ঠতার জন্য এই অসুখ পিছু নিতে পারে। ক্যালামিডায়া, গনোরিয়ারম মতো ইনফেকনশন এক্ষেত্রে সঙ্গী হতে পারে। এই দুই ইনফেকশন কিন্তু মহা সমস্যার কারণ। এক্ষেত্রে প্রস্রাব ধূসর হওয়া সম্ভব। এছাড়াও এই লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে- পেনিস বা ভ্যাজাইনা থেকে ক্লাউডি বা ব্লাডি ডিসচার্জ, শারীরিক ঘনিষ্ঠতার পর যৌনাঙ্গে যন্ত্রণা, জ্বালা করা ইত্যাদি। এই অসুখের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অ্যান্টিবোয়াটিক খান। তবেই সুস্থ থাকতে পারবেন।

>> পুরুষের প্রস্টেট গ্ল্যান্ড রয়েছে। এই গ্রন্থি স্পার্মে তরল পদার্থ যোগ করে। দেখা গেছে যে এই অঙ্গে প্রদাহ হলেও প্রস্রাব অনেক ক্ষেত্রেই ধূসর হয়ে যায়। তাই সচেতন থাকা ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই। এছাড়াও প্রস্রাবে রক্ত থাকলে বা তলপেটে ব্যথা হলেও অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ খান। তবেই ভালো থাকতে পারবেন।