• বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ৮ ১৪৩০

  • || ১০ শা'বান ১৪৪৫

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
অশিক্ষার অন্ধকারে কেউ থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী একুশ মাথা নত না করতে শেখায়: প্রধানমন্ত্রী একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আগামীকাল মিউনিখ সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে নিমন্ত্রণ বাংলাদেশের গুরুত্ব বুঝায় গুণীজনদের সম্মাননা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি একুশে পদকপ্রাপ্তদের অনুসরণ করে তরুণরা সোনার বাংলা বিনির্মাণ করবে আজ একুশে পদক তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী বরই খেয়ে দুই শিশুর মৃত্যু, কারণ অনুসন্ধান করবে আইইডিসিআর দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত জবাব দিন: প্রধানমন্ত্রী গাজায় যা ঘটছে তা গণহত্যা: শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, আজারবাইজান থেকে বড় বিনিয়োগ আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শান্তি ফর্মুলা বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার সহযোগিতা চাইলেন জেলেনস্কি কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন শেখ হাসিনা কিছু খুচরো দল তিড়িং বিড়িং করে লাফাচ্ছে: শেখ হাসিনা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন

নবজাতকের ঠান্ডা লাগলে করণীয়

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ৪ ডিসেম্বর ২০২৩  

শীত এলে বড়দেরই ঠান্ডা সারতে চায় না। আর শিশুদেরতো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এমনিতেই কম থাকে। ওদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হয় এই মৌসুমে। খুব সাবধানে সচেতন থেকে ওদের যত্ন নিশ্চিত করতে হবে। একবার ঠান্ডা লেগে বুকে কফ বসে গেলে নিউমোনিয়া পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞের মতে, নবজাতক শিশুর ঠান্ডা লাগার জন্য ২০০ টি ভাইরাস দায়ী, এর মধ্যে যেকোনো একটি দ্বারা সংক্রমিত হলেই শিশুর ঠান্ডা লাগতে পারে। তবে শিশুদের মধ্যে সাধারণ ঠান্ডা লাগার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী হচ্ছে রাইনো ভাইরাস। সাধারণ ঠান্ডা নাক এবং গলাকে সংক্রমণিত করে থাকে।

বাতাস থেকে দূষিত ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমণিত হলে সেই ব্যক্তির কাশি হয়, সে কথা বলে এবং হাঁচি হয় সেই সময় তার ভাইরাস হাঁচি, কাশি, কথা বলার মাধ্যমে ছড়িয়ে যেতে পারে।
স্পর্শের মাধ্যমে যখন কোন সংক্রমিত  ব্যক্তি আপনার সন্তানকে স্পর্শ করে সেই স্পর্শ করার মাধ্যমে আপনার বাচ্চার কাছে ভাইরাসটি পাস করে।

শিশুর চোখ লাল হয়ে যাওয়া, ঘন ঘন শ্বাস নেওয়া, ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া, নাক দিয়ে পানি পড়া, কান চুলকানো ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয় তাহলে দ্রত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া উচিত।

এছাড়াও রাতে ঘুমোনোর সময় নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, শরীর ব্যথা ও খেতে না পারা নিউমোনিয়ার লক্ষণ। শিশু যেন পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

নবজাতক শিশুর ঠান্ডা লাগলে দেখে নিন কী করা উচিত-
১. এসময় ঘরে পর্যাপ্ত আলো চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। একদিন পর পর কিংবা প্রতিদিনই হালকা গরম পানিতে শিশুকে গোসল করিয়ে দিন।

২. শীতে প্রায় সবারই ঠান্ডা-কাশি লেগে থাকে। ফলে আমাদের হাতে জীবাণু থাকে। তাই সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। হাঁচি কাশি দেওয়ার সময় রুমাল ব্যবহার করুন।

৩. শিশু যেন ঠান্ডার সময় অনেক বেশি বিশ্রাম পায় সেদিকটা নিশ্চিত করতে হবে।

৪. সবসময় চেষ্টা করুন এবং আপনার শিশুকে কিছু অতিরিক্ত বার বুকের দুধ খেতে দিন।

৫. ভিটামিন সি যুক্ত ফল অথবা ফলের রসগুলো খেতে দিতে পারেন।

৬. নাকের ব্লক পরিস্কার করার জন্য লবণাক্ত নাসাল ড্রপ দেওয়া যেতে পারে।

৭. প্রবাহিত শ্লেষ্মা অপসারণ করার জন্য আপনার শিশুর নাক মুছে দিন এবং তার ত্বকের জ্বালা এড়ানোর জন্য নাকের চারপাশে ত্বক আদ্র করতে একটি হালকা পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন।