• বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ৮ ১৪৩০

  • || ১০ শা'বান ১৪৪৫

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
অশিক্ষার অন্ধকারে কেউ থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী একুশ মাথা নত না করতে শেখায়: প্রধানমন্ত্রী একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আগামীকাল মিউনিখ সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে নিমন্ত্রণ বাংলাদেশের গুরুত্ব বুঝায় গুণীজনদের সম্মাননা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি একুশে পদকপ্রাপ্তদের অনুসরণ করে তরুণরা সোনার বাংলা বিনির্মাণ করবে আজ একুশে পদক তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী বরই খেয়ে দুই শিশুর মৃত্যু, কারণ অনুসন্ধান করবে আইইডিসিআর দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত জবাব দিন: প্রধানমন্ত্রী গাজায় যা ঘটছে তা গণহত্যা: শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, আজারবাইজান থেকে বড় বিনিয়োগ আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শান্তি ফর্মুলা বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার সহযোগিতা চাইলেন জেলেনস্কি কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন শেখ হাসিনা কিছু খুচরো দল তিড়িং বিড়িং করে লাফাচ্ছে: শেখ হাসিনা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন

সম্পত্তির ভাগ নিয়ে বাবার লাশ দাফনে বাধা

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২৪  

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় সম্পত্তির ভাগ ভাটোয়ারার বিরোধে বাবার লাশ দাফনে বাধা দেন সন্তানরা।
শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে মো. রতন তফাদার নামে ঐ ব্যক্তি বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান। তিনি চরফ্যাশন উপজেলা চর মাদ্রাজ ইউনিয়নের চর আফজাল গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

রতন তফাদারের মৃত্যুর পরই সম্পত্তির ভাগ ভাটোয়ারা নিয়ে তার একাধিক স্ত্রীর ঘরের সন্তানদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এতে লাশ দাফনে বাধা দেন প্রথমপক্ষের সন্তানরা। পরে দিন গড়িয়ে রাত হলেও লাশ দাফন হয়নি। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত স্থানীয়দের মাধ্যমে সমঝোতায় লাশ দাফনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, মো. রতন তফাদার একাধিক বিয়ে করেন। তবে তিনি দ্বিতীয়পক্ষের সন্তানদের সঙ্গে বসবাস করতেন। মৃত্যু আগে প্রথমপক্ষের সন্তানদের কাছে তিনি কিছু জমি বিক্রি করেন। এছাড়া উত্তরাধিকার ভাগও বুঝিয়ে দেননি প্রথমপক্ষের সন্তানদের। তবে মৃত্যুর আগে সন্তানদের কাছে বিক্রিত জমির দলিল সম্পাদন করে না দিয়ে দ্বিতীয়পক্ষের সন্তানদের বুঝিয়ে দেন তিনি। এজন্য বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে ছুটে আসেন প্রথমপক্ষের সন্তানরা।

এ সময় বাবার কাছ থেকে কেনা সম্পত্তি এবং উত্তরাধিকার সম্পত্তি বুঝে নিতে মেয়ে পিয়ারা বেগম ও ছেলে সামছল হকের ছেলে মেয়েরা লাশ দাফনে বাধা দেন। রাত হলেও উঠানেই পরেছিল লাশ। এরপর স্থানীয়দের সমঝোতায় রাত ৮টার দিকে লাশ দাফনের সিদ্ধান্ত হয়। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত লাশ দাফনের কার্যক্রম চলছে বলে জানা গেছে।

চর মাদ্রাজ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান হারুন কিবরিয়া জানান, মৃত ঐ ব্যক্তি একাধিক বিয়ে করেছেন। তার ১৫ জন সন্তান রয়েছেন। মৃত্যুর আগে নিজের সম্পত্তি ১১ সন্তানকে লিখে দেন। এছাড়া কিছু জমি তিনি প্রথমপক্ষের সন্তানদের কাছে বিক্রি করে দলিল করে দেননি। অপর চার সন্তান কেনা জমি ও বাবার উত্তরাধিকার জমি বুঝে নিতে লাশ দাফনে বাধা দেন। বিষয়টি সমঝোতা করা হয়েছে।

লাশ দাফনে বাধা দেওয়া সন্তান পিয়ারা বেগমের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

চরফ্যাশন থানার ওসি মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।