• মঙ্গলবার   ০৯ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৫ ১৪২৯

  • || ১০ মুহররম ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বঙ্গমাতার মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে বঙ্গমাতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বাধীনতার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর সারথি ছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল: রাষ্ট্রপতি ফজিলাতুন নেছা মুজিব দৃঢ়চেতা-বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী আজ বাংলাদেশে সহায়তা অব্যাহত রাখবে চীন: ওয়াং ই চীনে ৯৯ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি মায়ের দুধ শিশুর সর্বোত্তম খাবার: রাষ্ট্রপতি শেখ কামাল ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী: প্রধানমন্ত্রী শেখ কামাল ছিলেন ক্রীড়া ও সংস্কৃতিমনা সুকুমার মনোবৃত্তির মানুষ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের মর্যাদাকে সমুন্নত করবে যুবসমাজ ‘শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিখুন’ ঘাতকরা আজও তৎপর, আমাকে ও আ’লীগকে সরাতে চায়: প্রধানমন্ত্রী বিচারকদের সততা-নিষ্ঠা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে: রাষ্ট্রপতি একনেকে ২ হাজার কোটি টাকার ৭ প্রকল্প অনুমোদন বাঁধ টেকসই করতে বেশি করে ঝাউগাছ লাগানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার’ পেলো বাংলাদেশ বিএনপির আমলে মানুষের ভোটের অধিকার ছিল না: প্রধানমন্ত্রী

তজুমুদ্দিনে ছিন্নমূল মানুষের জন্য তৈরি ৪৬টি ব্যারাক হস্তান্তর

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০২০  

ভোলার তজুমুদ্দিন উপজেলার গৃহহীন ও ছিন্নমূল মানুষের জন্য নির্মিত ৪৬টি ব্যারাক হস্তান্তর করেছে নৌবাহিনী। রবিবার (১২ জানুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে এসব ব্যারাক স্থানীয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তজুমুদ্দিন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম আবাসন ব্যারাকগুলো বুঝে নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও নৌবাহিনীর প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আইএসপিআর জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ দিক নির্দেশনা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতায় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে নৌবাহিনী এই ব্যারাক ঘরগুলো নির্মাণ করে। বীর শ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল (সম্প্রসারণ) আশ্রয়ণ নামে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতিটি ব্যারাকে রয়েছে পাঁচটি ইউনিট। ইউনিটগুলোর প্রতিটিতে একটি করে পরিবার থাকতে পারবে। প্রতিটি ব্যারাকে রান্নাঘর ও বাথরুমের সুবিধা রয়েছে। এতে ২৩০টি গৃহহীন ও ছিন্নমূল পরিবার মানসম্মত আবাসস্থল পাবে।

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন উপকূলীয় অঞ্চলে ৩১৫টি পাকা ও টিনশেড ব্যারাক নির্মাণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যা শেষ হলে আরও এক হাজার ৫৭৫টি ভূমিহীন পরিবারের বাসস্থান নিশ্চিত হবে।