• বৃহস্পতিবার   ২১ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৫ ১৪২৮

  • || ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তৎপরতা প্রতিরোধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে শিশুরা বড় হবে সুন্দর পরিবেশে’ একটা অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলাদেশকে গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী আমাদের ছোট রাসেল সোনা: শেখ হাসিনা শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন করোনাকালে ১৬০০ ভার্চুয়াল সভায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশনের আওতায় ৯৯ শতাংশ মানুষ: প্রধানমন্ত্রী দেশ বিক্রি করে তো ক্ষমতায় আসবো না: প্রধানমন্ত্রী কৃষিতে ভর্তুকি দিতে বাধা দিয়েছিল বিশ্বব্যাংক: প্রধানমন্ত্রী খাদ্যের অপচয় যেনো না হয় : প্রধানমন্ত্রী অপচয় কমিয়ে সুষম পুষ্টিকর খাবারের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে সরকার মানুষের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে বিকেলে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় বিএসটিআইকে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে: রাষ্ট্রপতি সারাদেশে বিজিবি মোতায়েন যতই ঝুঁকি আসুক উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে : প্রধানমন্ত্রী বিএনপির ব্যর্থতায় ৯১’র ঘূর্ণিঝড়ে লক্ষাধিক মৃত্যু: প্রধানমন্ত্রী ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্বের আদর্শ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

তজুমদ্দিনে ৫ দিনের তিরোধান উৎসব শুরু

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ভোলার তজুমদ্দিনে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনের শ্রী শ্রী অচ্যুতানন্দ ব্রহ্মচারীর (অনিল বাবাজি) ২১তম তিরোধান উৎসব।  

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকে এ উৎসব শুরু হয়। প্রথম দিন থেকেই পুণ্যার্থীদের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠেছে মন্দির প্রাঙ্গণ। উৎসব শেষ হবে রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি)।

দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বৃহৎ এ উৎসবকে কেন্দ্র করে মন্দির প্রাঙ্গণকে নান্দনিক রূপে সাজানো হয়েছে। ছয়টি গেট নির্মাণের পাশাপাশি আলোকসজ্জায় সাজানো হয়ে মন্দির প্রাঙ্গণসহ পুরো চত্বর। 

আয়োজকরা জানান, উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের আড়ালিয়া ‘সমাধি মন্দিরে’ তিরোধান উৎসব উপলক্ষ্যে ৪০ প্রহরব্যাপী মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান চলছে। বিভিন্ন জেলার ছয়টি কীর্তনীয়া দল এ যজ্ঞানুষ্ঠান পরিবেশন করছেন।

বিগত বছরের মতো এবছরও ভক্তদের জন্য নান্দনিক দৃষ্টিনন্দন ‘বৃন্দাবন’ নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে সত্য, দাপর, কলি ও কেতা’ এ চার যুগের নিদর্শন স্বরূপ শতাধিক বিগ্রহের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে ভক্তরা প্রার্থনা ও শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। এছাড়াও নির্মাণ করা হয়েছে মনোমুগ্ধকর কুণ্ডলী। বিগত বছরের মতো এবছরও পুণ্যার্থীদের জন্য ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বৃহৎ এ উৎসবকে ঘিরে এরই মধ্যে পুণ্যার্থীদের ঢল নামতে শুরু করেছে। দেশের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও কলকাতা থেকেও ভক্তরা এসে ভিড় জমাচ্ছেন। এর মধ্যে এক হাজার ভক্তের আবাসিক থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও পুরো মন্দিরজুড়ে হাজার হাজার ভক্ত সার্বক্ষণিক অবস্থান করতে পারবেন। ভক্তদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। 

মন্দির চত্বরের চারপাশে তৈরি পোশাক, ফার্নিচার, কসমেটিকস, নিত্য পন্য এবং কুটির শিল্প ছাড়াও অসংখ্য খাবারের স্টল বসছে।

মন্দির পরিচালনা কমিটির সদস্য রুপন সাধু  বলেন, অনিল বাবাজির ২১তম তিরোধান উৎসব শুরু হয়েছে। সারা দেশের মধ্যে অন্যতম একটি বৃহৎ উৎসব এখানে হচ্ছে।  প্রতি বছরের মতো এবছরও দেশ ও দেশের বাইরের লাখো ভক্তদের আগমন ঘটবে। ভক্তদের জন্য প্রতিদিন প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।  

মন্দির প্রাঙ্গণে নতুন করে আরও কিছু ভবন নির্মাণ ও প্রবেশ সড়কের রাস্তাটি সংস্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। আর এ জন্য তিনি সবার সহযোগিতাও চেয়েছেন।

একযোগে সম্ভপুর মন্দিরেও অচ্যুতানন্দ ব্রহ্মচারীর ২১তম তিরোধান উৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেখানেও নান্দনিক রূপে সাজানো হয়েছে।