• শুক্রবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৯

  • || ০৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
বাংলাদেশ সবসময় ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় কর ব্যবস্থাপনা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ১০ টাকায় টিকিট কেটে চোখ পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ব্যবস্থা যাতে পিছিয়ে না যায় সে ব্যবস্থা নিচ্ছি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল হস্তান্তর ব্যাংক খাতের পরিস্থিতি জানানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১০ ডিসেম্বর বিএনপির মহাসমাবেশ, পরিবহন ধর্মঘট না ডাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী প্লিজ যুদ্ধ থামান, সংঘাত থামাতে সংলাপ করুন: শেখ হাসিনা হানিফের সংগ্রামী জীবন নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক কর্মীদের দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করবে মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন পরীক্ষিত নেতা সংঘাত-দুর্যোগে নারীদের দুর্দশা বহুগুণ বাড়ে: প্রধানমন্ত্রী সচিবদের যেসব নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী জিয়া-খালেদা-তারেক খুনি: প্রধানমন্ত্রী জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল হবে: প্রধানমন্ত্রী সূচকের ওঠানামায় পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন দুপুরে সচিবদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চার করে ডা. মিলন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র: রাষ্ট্রপতি মিছিল-মিটিংয়ে আপত্তি নেই, মানুষের ওপর হামলায় সহ্য করবো না ‘যারা গ্রেনেড দিয়ে আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা?

ভোলায় প্রান্তিক ১০ জেলেদের মাঝে গরু বিতরন

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২  

ভোলা প্রতিনিধিঃ নিষেধাজ্ঞা কালিন সময়ে বেকার জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানে উদ্বুদ্ধ করতে ভোলায় প্রান্তিক জেলেদের মাঝে গাভী বিতরন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভোলা সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে ভোলা সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মো: মোশারেফ হোসেন প্রাধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এই গাভী বিতরন করেন। এসময় ১০ প্রান্তিক জেলেকে গাভী দেওয়া হয়। ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা  প্রকল্পের আওতায় গরু পালনের মাধ্যমে বিকল্প কর্মসংস্থান এ উদ্যোগ নেয়া হয়। পর্যায় ক্রমে জেলার সাড়ে তিন হাজার জেলেকে গাভীকে প্রাদান করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ভোলা সদর উপজেলার নবাগত নির্বাহী অফিসার মো: তৌহিদুল ইসলাম,জেলা মৎস কর্মকর্তা এস এম আজহারুল ইসলাম, ভোলা সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা মো: জামাল হোসাইন প্রমুখ।

কাচিয়া ইউনিয়নের জেলে কাঞ্চন বেপারী বলেন,নদীতে ইলিশ মাছ না থাকলে আমাদের পরিবার নিয়ে চলতে ফিরতে অনেক কষ্ট হয়। এখন সরকারের আমাদের বিকল্প আয় বর্ধনমূলক  উপকরন হিসাবে গরু দেওয়ায় অনেক উপকার হইছে। এখন আমরা গরু পালন করে কিছুটা উপকার হবে। 

দক্ষিন দিঘলদী ইউনিয়নের জেলে আব্দুর রব রাঢ়ী,যখন নদীতে অবরোধ থাকে তখন আমরা বেকার দিন কাটাই। কাজকাম নাথাকায় অনেটা বাধ্য হয়ে নদীতে অবৈধ ভাবে অবৈধ জাল ব্যবহার করে মাছ ধরতে যাই। এখন গরু দেওয়ায় অনেক ভালো হইছে। আমাদের আর বেকার থাহন লাগবোনা। গরু পালন করে  বড় করে বিক্রি করে সে টাকা দিয়ে কর্মসংস্থান করতে পারুম।
জেলা মৎস কর্মকর্তা এস এম আজহারুল ইসলাম, জেলেদের মাছধরার নিষিদ্ধ কালীন সময়ে জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের অংশ হিসাবে আমরা জেলেদের মাঝে এই গরু বিতরন করে সহায়তা করছি। এর মাধ্যমে জেলেদের যেন বাড়তি আয় হয়। আয় বর্ধন এর একটি উৎস হয়। যেসময় মাছ ধরা বন্ধ থাকবে তখন যেন এই গরু তাদের আয়ের পদ সুগম করে। 

উল্লেখ্য, এই প্রকল্পের মাধ্যমে মা ইলিশ ও জাটকা সংরক্ষণে মৎস সংরক্ষন আইন বাস্তবায়ন এবং ইলিশ জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি করা।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, এ প্রকল্পের মাধ্যমে জেলায় মোট ৩ হাজার ৫০০ জেলেকে বিকল্প কর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করা হচ্ছে। জেলেদের জন্য গরুর বাচ্চা ছাড়াও হাঁস, মুরগি, সেলাই মেশিনসহ চাহিদা অনুযায়ী উপকরণ ও বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া জেলায় ৬টি জেলেদের গ্রাম নির্ধারিত করে ২ হাজার  জেলেকে জনপ্রতি ৬০ হাজার টাকা মূল্যের বৈধ মাছ ধরার জাল প্রদান করা হবে।