• রোববার   ২২ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৭ ১৪২৯

  • || ১৮ শাওয়াল ১৪৪৩

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
রূপপুর মেটাবে বিদ্যুতের চাহিদা, দেবে লাভও দ্রব্যমূল্য নিয়ে ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ৪ দফা প্রস্তাব অবিলম্বে বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন স্বাভাবিক করার আহ্বান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিবেশবান্ধব: প্রধানমন্ত্রী খালেদাকে পদ্মায় ফেলতে আর ইউনূসকে চুবিয়ে তুলতে বললেন শেখ হাসিনা কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের রিফুয়েলিং পয়েন্ট কক্সবাজারে যত্রতত্র স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে কউক’র নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি আওয়ামী লীগ সরকার আছে বলেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে- প্রধানমন্ত্রী ওপেনিংয়ে চতুর্থ সেরা জুটি গড়ে ফিরলেন জয়, তামিমের সেঞ্চুরি নিত্যপণ্যের দাম কেন চড়া, জানালেন প্রধানমন্ত্রী স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: শেখ হাসিনা দেশের মানুষের শেষ ভরসাস্থল শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির নিরাপদ আশ্রয়স্থল শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ইতিহাসে মাইলফলক: রাষ্ট্রপতি চার দশকেরও বেশি সময় শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে আ.লীগ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি খাদ্য সাশ্রয় করুন: প্রধানমন্ত্রী সবাই স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারে: প্রধানমন্ত্রী টাকা অপচয় করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

ভোলায় প্রধানমন্ত্রী উপহার হিসেবে ঘর পাচ্ছেন ৩৬৫ ভূমিহীন পরিবার

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৬ এপ্রিল ২০২২  

ভোলা প্রতিনিধিঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় ধাপে ঈদ উপহার হিসেবে ভোলা সদর উপজেলায় জমিসহ ঘর পাচ্ছেন ৩৬৫ ভূমিহীন পরিবার। এরই মধ্যে ভূমিহীনদের জন্য টিনসেড পাকা ঘর নির্মাণ শেষ করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার সকালে ভূমিহীন ও গৃহহীন ৩৬৫ পরিবারের মাধ্যে ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হবে। সকালে ১০ টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  ওই সব ভূমিহীন ও গৃহহীন (ক শ্রেনি) পরিবারের মধ্যে ঘরের চাবি হস্তান্তর করবেন। 

ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুল ইসলাম জানায়,মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে ভোলা সদর উপজেলায় আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় পর্যায়ে ৩৬৫ টি ঘর বরাদ্দ করা হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যে ৪০টি ঘর নির্মাণ শেষ হয়েছে। ২৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী এসব ঘর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন। ওইদিনই আমরা উপকারভোগীদেরকে তাদের ঘর বুঝিয়ে দেব। পর্যায়ক্রমে বরাদ্দকৃত অন্য ঘরও ভূমিহীন ও হতদরিদ্রদেরকে বুঝিয়ে  দেওয়া হবে। এছাড়া আগামী জুনের মধ্যে বরাদ্দকৃত অবশিষ্ট ঘর উপকার ভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাহী অফিসার।

এদিকে ঈদের আগে পাকা ঘরে ওঠার সংবাদে খুশি উপকারভোগীরা । উপকারভোগী কুলসুম বেগম জানান আগে কোন ঘরবাড়ি ছিলোনা। অন্যের জমিতে থাকতাম কোন রকম কুরে ঘর করে। এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমের একটা বিল্ডিং এর ঘর দিছে। এর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।

দুই শতাংশ জমিতে নির্মিত প্রতিটি বাড়িতে দুটি শোবার ঘর,একটা রান্না ঘর,একটা ইউটিলিটি রুমে, একটা শৌচাগার ও একটা বারান্দা রয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ের এসব ঘরের প্রতিটির নির্মাণ খরচ হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা করে।