• বৃহস্পতিবার   ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২০ ১৪২৯

  • || ১০ রজব ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের বিকল্প নেই জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ভাষা-সাহিত্য চর্চাও ডিজিটাল করার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ মানহীন শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত বেকার বাড়ছে: রাষ্ট্রপতি গণতান্ত্রিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে চায় এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবী মুসলিম উম্মাহকে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান দেশের ব্যাপক উন্নয়ন বিবেচনায় নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকলেই মানুষের উন্নতি হয়: প্রধানমন্ত্রী আমি জোর করে দেশে ফিরেছিলাম, আ.লীগ পালায় না: শেখ হাসিনা আজ ১১ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ১-৭ মার্চ মোবাইলে কল করলেই শোনা যাবে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিন: প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস রুখে দিতে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে পুলিশ

ভোলায় প্রধানমন্ত্রী উপহার হিসেবে ঘর পাচ্ছেন ৩৬৫ ভূমিহীন পরিবার

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৬ এপ্রিল ২০২২  

ভোলা প্রতিনিধিঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় ধাপে ঈদ উপহার হিসেবে ভোলা সদর উপজেলায় জমিসহ ঘর পাচ্ছেন ৩৬৫ ভূমিহীন পরিবার। এরই মধ্যে ভূমিহীনদের জন্য টিনসেড পাকা ঘর নির্মাণ শেষ করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার সকালে ভূমিহীন ও গৃহহীন ৩৬৫ পরিবারের মাধ্যে ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হবে। সকালে ১০ টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  ওই সব ভূমিহীন ও গৃহহীন (ক শ্রেনি) পরিবারের মধ্যে ঘরের চাবি হস্তান্তর করবেন। 

ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুল ইসলাম জানায়,মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে ভোলা সদর উপজেলায় আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় পর্যায়ে ৩৬৫ টি ঘর বরাদ্দ করা হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যে ৪০টি ঘর নির্মাণ শেষ হয়েছে। ২৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী এসব ঘর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন। ওইদিনই আমরা উপকারভোগীদেরকে তাদের ঘর বুঝিয়ে দেব। পর্যায়ক্রমে বরাদ্দকৃত অন্য ঘরও ভূমিহীন ও হতদরিদ্রদেরকে বুঝিয়ে  দেওয়া হবে। এছাড়া আগামী জুনের মধ্যে বরাদ্দকৃত অবশিষ্ট ঘর উপকার ভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাহী অফিসার।

এদিকে ঈদের আগে পাকা ঘরে ওঠার সংবাদে খুশি উপকারভোগীরা । উপকারভোগী কুলসুম বেগম জানান আগে কোন ঘরবাড়ি ছিলোনা। অন্যের জমিতে থাকতাম কোন রকম কুরে ঘর করে। এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমের একটা বিল্ডিং এর ঘর দিছে। এর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।

দুই শতাংশ জমিতে নির্মিত প্রতিটি বাড়িতে দুটি শোবার ঘর,একটা রান্না ঘর,একটা ইউটিলিটি রুমে, একটা শৌচাগার ও একটা বারান্দা রয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ের এসব ঘরের প্রতিটির নির্মাণ খরচ হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা করে।