• রোববার   ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৫ ১৪২৯

  • || ০৫ রজব ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় রাজশাহীবাসী, ব্যাপক জনসমাগমের প্রস্তুতি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ সাধারণ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আপনি কি আল্লাহর ফেরেস্তা, ফখরুলকে কাদেরের প্রশ্ন কাউকে সম্প্রীতি নষ্ট করতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন রোল মডেল: প্রধানমন্ত্রী বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে কাস্টমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে একাত্তরে গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমার ব্যর্থতা থাকলে খুঁজে বের করে দিন: প্রধানমন্ত্রী পরবর্তী লক্ষ্য স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন স্কাউট প্রশিক্ষণ পায়: প্রধানমন্ত্রী সংঘাত, সন্ত্রাস ও ক্ষমতা দখলকে পেছনে ফেলে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র ২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় হবে ১২ হাজার ডলার: প্রধানমন্ত্রী টেক্কা দিয়ে বাংলাদেশের এগোনো অনেকের পছন্দ না: প্রধানমন্ত্রী জনগণের পয়সায় সুযোগ-সুবিধা, তাদের সেবা করুন বাবার পরিচয়হীন সন্তানের অভিভাবক হবেন মা- হাইকোর্টের রায় অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ২৫ নির্দেশনা জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে: ডিসিদের প্রধানমন্ত্রী

মাওলানা তর্কবাগীশের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৭ নভেম্বর ২০২২  

মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ (১৯০০-১৯৮৬) উপমহাদেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে আশির দশকে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন তিনি। জাতীয় ইতিহাসের এই ব্যক্তিত্ব ১৯৮৬ সালের ২০ আগস্ট মারা যান।

আবদুর রশীদ ১৯০০ সালের ২৭ নভেম্বর সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়ার তারুটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৩ বছর বয়সে তিনি অসহায় দুধ বিক্রেতাদের সংগঠিত করে দুধের ন্যায্যমূল্য প্রদানে জমিদার ও মহাজনদের বাধ্য করেন। ১৯১৯ সালে তিনি খিলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনে অংশ নেন। ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি তরুণ নেতা মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে তৎকালীন পাবনা জেলার সিরাজগঞ্জ মহকুমার সলঙ্গা হাটে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। ওইদিন প্রায় ১ হাজার ২০০ প্রতিবাদী মানুষ ব্রিটিশ পুলিশ বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারায়। নিহতদের লাশের সঙ্গে সংজ্ঞাহীন আহতদের উঠিয়ে নিয়ে ব্রিটিশ পুলিশ সিরাজগঞ্জের রহমতগঞ্জে গণকবর দেয়। এই ‘সলঙ্গা আন্দোলন’ ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ‘রক্তসিঁড়ি’ হিসেবে পরিচিত।

তর্কশাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে তর্কবাগীশ উপাধিতে ভূষিত হন। তিনি ১৯৩৭ সালে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে নাটোরে কৃষক সম্মেলন আহ্বান করেন। তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর একজন ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। ১৯৪৬ সালে বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। অবিভক্ত বাংলার এমএলএ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতার ওপর পুলিশি নির্যাতনের সংবাদ পেয়ে প্রাদেশিক পরিষদ থেকে বেরিয়ে এসে ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন তর্কবাগীশ। ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি মুসলিম লীগ ত্যাগ করে প্রাদেশিক পরিষদে বিরোধী দল গঠন করেন এবং নুরুল আমিন সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনেন।

আওয়ামী লীগদলীয় সদস্য হিসেবে পাকিস্তান গণপরিষদে ১৯৫৫ সালের ১২ আগস্ট তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় বক্তৃতা করেন। মাওলানা তর্কবাগীশ ১৯৫৬ থেকে ১৯৬৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে শেষ প্রেরিত নবী, সত্যার্থে ভ্রমণে, সমকালীন জীবনবোধ প্রভৃতি।