• শুক্রবার   ১৯ আগস্ট ২০২২ ||

  • ভাদ্র ৩ ১৪২৯

  • || ২০ মুহররম ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আ. লীগের নেতারা কী করেছিলেন: প্রধানমন্ত্রী সুশীল বাবু মইনুল খুনিদের নিয়ে দল গঠন করে: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িতরা আজ মানবাধিকারের কথা বলে: প্রধানমন্ত্রী ভারত পারলে আমরাও রাশিয়া থেকে তেল কিনতে পারবো: প্রধানমন্ত্রী ‘ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করেছি’ খবরদার আন্দোলনকারীদের ডিস্টার্ব করবেন না: প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার মৃত্যু নেই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বঙ্গবন্ধু আমাদের রোল মডেল শোক দিবসে বঙ্গভবনে বিশেষ দোয়ার আয়োজন রাষ্ট্রপতির টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যার নির্দেশ বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মানবাধিকার কমিশনকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ৪০০তম ওয়ানডে খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তা: বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার অবদান রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বঙ্গমাতার মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে বঙ্গমাতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বাধীনতার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর সারথি ছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল: রাষ্ট্রপতি

নামাজ না পড়লে দুনিয়ার যেসব দুর্ভোগ সুনিশ্চিত

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ৩ জুলাই ২০২২  

নামাজ ফরজ ইবাদত। নবিজী বলেছেন, নামাজ সেভাবে পড়ো; যেভাবে আমাকে পড়তে দেখেছো। আর আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীল ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখে।’ আবার সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নামাজ পড়ার কথাও এসেছে অন্য আয়াতে।

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘নামাজ হলো ঈমানদার ও কাফেরের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়কারী। আবার যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজকে ছেড়ে দিল তবে সে কুফরি করলো বলেও ঘোষণা করেছেন বিশ্বনবি। এসব ঘোষণার পরও অনেক মানুষ নামাজ পড়া থেকে বিরত থাকে। যারা নামাজ পড়ে না তাদের দুনিয়া ও পরকালে রয়েছে কঠোর আজাব ও কষ্ট। তাহলে নামাজ না পড়লে বেনামাজি দুনিয়াতে কী কষ্ট ভোগ করবে?

কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব গ্রহণ করা হবে বলে ঘোষণা করেছেন বিশ্বনবি। কিন্তু কেয়ামতে আগে দুনিয়াতেও বেনামাজি চরম কষ্ট ভোগ করবে; তাহলো-

বেনামাজির দুনিয়ার জীবনের কষ্ট

১. আল্লাহ তাআলা নামাজ ত্যাগকারীকে দুনিয়ার জীবনে সব কাজের বরকত থেকে মাহরূম/বঞ্চিত করেন।

২. নামাজ ত্যাগকারী ব্যক্তির চেহারায় কোনো নূর বা উজ্জ্বলতা থাকে না।

৩. যে ব্যক্তি নামাজ ত্যাগ করে ওই ব্যক্তি দুনিয়ার অন্যান্য ভালো কাজের কোনো পুরস্কারও পাবে না।

৪. নামাজ ত্যাগকারী ব্যক্তির জন্য কোনো লোক দোয়া করলে, ওই ব্যক্তির জন্য দোয়াকারীর দোয়া বা কল্যাণ কামনা কোনো কাজে আসবে না।

৫. সর্বোপরি নামাজ পরিত্যাগকারী ব্যক্তি দুনিয়ার প্রতিটি পদক্ষেপেই আল্লাহ তাআলা সব সৃষ্টিজীবের কাছে ঘৃণিত হবে। কোনো সৃষ্টিজীবই তাকে পছন্দ করে না।

উল্লেখিত প্রতিটি বিষয় পাওয়া কামনা করে মুমিন মুসলমান। নামাজ না পড়ার কারণে তারা এসব কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হয়ে কষ্টের মুখোমুখি হবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে যথা সময়ে যথাযথভাবে নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। দুনিয়ার কষ্ট ও লাঞ্ছনা থেকে মুক্ত রেখে তাঁর নৈকট্য অর্জনে নিয়মিত ও সময়মতো নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।