• রোববার   ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৫ ১৪২৯

  • || ০৫ রজব ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় রাজশাহীবাসী, ব্যাপক জনসমাগমের প্রস্তুতি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ সাধারণ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আপনি কি আল্লাহর ফেরেস্তা, ফখরুলকে কাদেরের প্রশ্ন কাউকে সম্প্রীতি নষ্ট করতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন রোল মডেল: প্রধানমন্ত্রী বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে কাস্টমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে একাত্তরে গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমার ব্যর্থতা থাকলে খুঁজে বের করে দিন: প্রধানমন্ত্রী পরবর্তী লক্ষ্য স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন স্কাউট প্রশিক্ষণ পায়: প্রধানমন্ত্রী সংঘাত, সন্ত্রাস ও ক্ষমতা দখলকে পেছনে ফেলে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র ২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় হবে ১২ হাজার ডলার: প্রধানমন্ত্রী টেক্কা দিয়ে বাংলাদেশের এগোনো অনেকের পছন্দ না: প্রধানমন্ত্রী জনগণের পয়সায় সুযোগ-সুবিধা, তাদের সেবা করুন বাবার পরিচয়হীন সন্তানের অভিভাবক হবেন মা- হাইকোর্টের রায় অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ২৫ নির্দেশনা জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে: ডিসিদের প্রধানমন্ত্রী

কোন সময় কোন জিকির করবেন?

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২২  

যাদের জিহ্বা আল্লাহর জিকিরে সতেজ থাকবে, তারা হেসে হেসে জান্নাতে যাবে বলেছেন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তাহলে বোঝা গেলো জিকিরকারী মর্যাদা ও ফজিলত অনেক বেশি। কিন্তু কোন সময় কোন জিকির করবেন?

চলাফেরা, ওঠা-নামা, বাড়ি কিংবা সফরে থাকা অবস্থায় সার্বক্ষণিক আল্লাহর জিকিরে জিহ্বাকে সিক্ত করা। আল্লাহর জিকিরে হৃদয়কে তাজা করা। আল্লাহর জিকিরে গুনাহমুক্ত থাকা হলো মুমিনের কাজ। তাই-

১. উপরে ওঠার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ জিকির করা।

২. নিচে নামার সময় ‘সুবহানাল্লাহ’ জিকির।

৩. সমতলে হাটার সময় ‘লা ইলাহা ইল্লাহ’ জিকির।

৪. হাঁচি আসলে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা।

৫. হাঁচির উত্তরে ‘ইয়ারহামুকুমুল্লাহ’ বলা।

৬. হাই আসলে ‘লা হাওলা ওয়া লা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলা।

৭. মৃত্যু সংবাদ শুনলে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইজি রাজিউন’ বলা।

৮. কবর দেখলে দোয়া পড়া।

৯. আনন্দের জন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা।

১০. দুঃসময় বা খারাপ কিছু হলে ইসতেগফার করা।

১১. বাবা-মার জন্য দোয়া করা।

১২. আজান শুনলে উত্তর দেয়া।

১৩. ইক্বামতের উত্তর দেয়া।

১৪. দেখা হলে মুসাহাফা করা এবং একে অপরের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনার দোয়া- ইয়াগফিরুল্লাহু লানা ওয়া লাকুম বলা।

সর্বোপরি

প্রতিদিন নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াত করা। সম্ভব হলে-

১৫. ফজরের পর সুরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করা।

১৬. জোহরের পর সুরা ফাতাহ তেলাওয়াত করা।

১৭. আসরের পর সুরা নাবা তেলাওয়াত করা।

১৮. মাগরিবের পর সুরা ওয়াক্বিয়া তেলাওয়াত করা। এবং

১৯. এশার পর সুরা মুলক তেলাওয়াত করা।

বিশেষ করে-

২০. জুমার দিন সুরা কাহফ তেলাওয়াত করা। অন্ততঃ সুরা কাহাফের প্রথম ও শেষ ১০ আয়াত তেলাওয়াত করা।

নামাজের পর সংক্ষিপ্ত সুন্নাতি আমল-

২১. ইসতেগফার ৩ বার পড়া।

২২. আয়াতুল কুরসি ১ বার পড়া।

২৩. সুরা ইখলাস ১ বার পড়া।

২৪. সুরা ফালাক্ব ১ বার পড়া।

২৫. সুরা নাস ১ বার পড়া।

তাসবিহে ফাতেমি-

২৬. সুবহানাল্লাহ ৩৩ বার পড়া।

২৭. আলহামদুলিল্লাহ ৩৩ বার পড়া।

২৮. আল্লাহু আকবার ৩৩/৩৪ বার পড়া।

এছাড়াও ছোট ছোট তাসবিহ-তাহলিলের পাশাপাশি প্রতিদিন ১০০ বার ইসতেগফার পড়া এবং কোরআন সুন্নাহর মাসনুন দোয়াগুলো পড়ার মাধ্যমে সুন্নতি আমলে নিজেদের নিয়োজিত রাখা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে উল্লেখিত সুন্নতি আমল দ্বারা নিজেদের আমলনামাকে সাজানোর মাধ্যেমে নিজেদের অন্তরকে আল্লাহর নূরে আলোকিত করার তাওফিক দান করুন। সব সময় জিকিরের মাধ্যমে নিজেদের জিহ্বাকে সিক্ত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।