• সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ২ ১৪৩১

  • || ০৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার নির্দেশ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের কাছে ঋণ চেয়েছি গ্লোবাল ফান্ড, স্টপ টিবি পার্টনারশিপ শেখ হাসিনাকে বিশ্বনেতৃবৃন্দের জোটে চায় শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে সকল খাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে শিশুশ্রম নিরসনে প্রত্যেককে আরো সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ আশ্রয়ণের ঘর মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি তৈরি করে দেব : প্রধানমন্ত্রী নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাচ্ছে সাড়ে ১৮ হাজার পরিবার শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন সোনিয়া গান্ধী মোদীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শেখ হাসিনা-মোদি বৈঠকে দু’দেশের সম্পর্ক আগামীতে আরো দৃঢ় হবে বাংলাদেশ ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি করতে আগ্রহী : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদী সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বিনিময় অ্যাক্রেডিটেশন দেশের অর্থনীতিকে সুদৃঢ় করতে সহায়তা করে: রাষ্ট্রপতি

যাকে নিয়ে বিবাদে জড়িয়েছিলেন রহমত ও আজাবের ফেরেশতারা

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

আল্লাহ তাআলা ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। মানুষ শত অপরাধের পরও যদি অনুতপ্ত হয়, ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।

হাদিসে পূর্ববর্তী উম্মতের এক ব্যক্তির কথা বর্ণিত রয়েছে, যিনি ছিলেন ভয়ংকর খুনি; ৯৯টি খুন করেছিলেন তিনি। তারপর তার মনে অনুতাপ জেগে ওঠে এবং তিনি তওবা করার সিদ্ধান্ত নেন। ওই সময়ের সবচেয়ে বড় পাদ্রী বা দরবেশের কাছে গিয়ে তিনি তওবা করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন। তাকে বলেন, আমি ৯৯ জন মানুষকে হত্যা করেছি, আমার কি ক্ষমা পাওয়ার কোনো উপায় আছে?

ওই পাদ্রী উত্তর দেন, না, এত ভয়াবহ পাপ করার পর তওবা কোনো সুযোগ নেই।

এ উত্তর শুনে ওই ব্যক্তি ক্ষুব্ধ হন এবং ওই পাদ্রীকেও হত্যা করেন। তারপর তিনি ওই সময়ের আরেকজন বড় আলেমের কাছে যান। তার কাছে গিয়ে তিনি বলেন, আমি একশত জন মানুষকে হত্যা করেছি আমার কি তওবা করার ‍সুযোগ আছে? আলেম উত্তর দেন, অবশ্যই, মৃত্যুর আগে যে কোনো সময় মানুষ তওবা করতে পারে। তুমি অমুক অঞ্চলে চলে যাও, সেখানে একজন বড় দরবেশ আছেন, তুমি তার কাছে গিয়ে তার সাথে আল্লাহর ইবাদতে নিমগ্ন হও। নিজের এলাকায় আর ফিরে যেও না, ওই এলাকা তোমার জন্য ভালো নয়।

আলেমের পরামর্শ অনুযায়ী ওই ব্যক্তি দরবেশের কাছে যাওয়ার জন্য যাত্রা করেন। পথে তার মৃত্যুর সময় এসে যায়। ইসলামের বিশ্বাস অনুযায়ী কোনো ভালো ও জান্নাতি ব্যক্তি যখন মারা যান, তখন রহমতের ফেরেশতারা আসেন এবং তার আত্মা ইল্লিয়্যিনে নিয়ে যান, মন্দ ও জাহান্নামি মানুষ হলে আজাবের ফেরেশতারা আসেন এবং তার আত্মা সিজ্জিনে নিয়ে যান। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী ওই ব্যক্তিটিকে কারা নেবেন, তাকে জান্নাতি নাকি জাহান্নামি গণ্য করা হবে এ নিয়ে রহমত ও আজাবের ফেরেশতারা বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। রহমতের ফেরেশতারা বলেন, তিনি তওবা করেছিলেন। তাই তিনি জান্নাতি হওয়ার উপযুক্ত। আমরাই তার আত্মা নিয়ে যাবো।

আজাবের ফেরেশতারা বলেন, এই ব্যক্তি আজীবন পাপাচার ও অপরাধে লিপ্ত থেকেছেন। জীবনে একটি ভালো কাজও তিনি করেননি। তিনি জাহান্নামীই হবেন।

তখন একজন ফেরেশতা বললেন, তোমরা পথ মেপে দেখো তিনি দরবেশের কাছে যাওয়ার জন্য কতটুকু অগ্রসর হয়েছিলেন। তিনি যদি তার নিজের এলাকার কাছাকাছি থাকেন, তাহলে তাকে আজাবের ফেরেশতারা নিয়ে যাবেন, দরবেশের এলাকার কাছাকাছি থাকলে তাকে রহমতের ফেরেশতারা নিয়ে যাবেন।

পথ মেপে দেখা গেলো, তিনি দরবেশের এলাকার কাছাকাছি রয়েছেন। তাকে জান্নাতী গণ্য করা হয় এবং রহমতের ফেরেশতারা তার আত্মা নিয়ে যান।