• বুধবার ২৪ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ৯ ১৪৩১

  • || ১৬ মুহররম ১৪৪৬

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ২১ জুলাই স্পেন যাবেন প্রধানমন্ত্রী আমার বিশ্বাস শিক্ষার্থীরা আদালতে ন্যায়বিচারই পাবে: প্রধানমন্ত্রী কোটা সংস্কার আন্দোলনে প্রাণহানি ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা হবে মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দেখাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী পবিত্র আশুরা মুসলিম উম্মার জন্য তাৎপর্যময় ও শোকের দিন আশুরার মর্মবাণী ধারণ করে সমাজে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার আহ্বান মুসলিম সম্প্রদায়ের উচিত গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া নিজেদের রাজাকার বলতে তাদের লজ্জাও করে না : প্রধানমন্ত্রী দুঃখ লাগছে, রোকেয়া হলের ছাত্রীরাও বলে তারা রাজাকার শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ ‘চীন কিছু দেয়নি, ভারতের সঙ্গে গোলামি চুক্তি’ বলা মানসিক অসুস্থতা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে না দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী : প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসাবান্ধব সরকার ফুটবলের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিশ্বমানের খেলোয়াড় তৈরি করুন চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নে পরিকল্পিত ও দক্ষ জনসংখ্যার গুরুত্ব অপরিসীম বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করতে চায় চীন: শি জিনপিং চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

মুক্তির উপায় ইমান ও মানুষের সাথে উত্তম আচরণ

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

আবদুর রহমান ইবনে আবদে রাব্বিল কাবা বলেন, একদিন আমি মসজিদুল হারামে ঢুকে দেখলাম, আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস (রা.) কাবার ছায়ায় বসে আছেন। মানুষ থাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরেছে। আমিও তার কাছে গিয়ে বসলাম।

আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস (রা.) বললেন, কোনো এক সফরে আমরা রাসুলের (সা.) সাথে ছিলাম। এক জায়গায় আমরা যাত্রবিরতি করলাম। আমাদের মধ্যে কিছু মানুষ তাবু ঠিকঠাক করছিলো, কেউ কেউ তীর ছোঁড়া অনুশীলন করছিলো, অনেকে পশুপালের পরিচর্যা করছিলো।

এক পর্যায়ে রাসুলের (সা.) ঘোষক ঘোষণা করলো, এখন নামাজ হবে, সবাই সমবেত হোন!

তখন আমরা সবাই গিয়ে রাসুলের (সা.) কাছে সমবেত হলাম। রাসুল (সা.) বললেন,

إِنَّهُ لَمْ يَكُنْ نَبِيٌّ قَبْلِي إِلاَّ كَانَ حَقًّا عَلَيْهِ أَنْ يَدُلَّ أُمَّتَهُ عَلَى خَيْرِ مَا يَعْلَمُهُ لَهُمْ وَيُنْذِرَهُمْ شَرَّ مَا يَعْلَمُهُ لَهُمْ وَإِنَّ أُمَّتَكُمْ هَذِهِ جُعِلَ عَافِيَتُهَا فِي أَوَّلِهَا وَسَيُصِيبُ آخِرَهَا بَلاَءٌ وَأُمُورٌ تُنْكِرُونَهَا وَتَجِيءُ فِتْنَةٌ فَيُرَقِّقُ بَعْضُهَا بَعْضًا وَتَجِيءُ الْفِتْنَةُ فَيَقُولُ الْمُؤْمِنُ هَذِهِ مُهْلِكَتِي ‏.‏ ثُمَّ تَنْكَشِفُ وَتَجِيءُ الْفِتْنَةُ فَيَقُولُ الْمُؤْمِنُ هَذِهِ هَذِهِ ‏.‏ فَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُزَحْزَحَ عَنِ النَّارِ وَيَدْخُلَ الْجَنَّةَ فَلْتَأْتِهِ مَنِيَّتُهُ وَهُوَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ وَلْيَأْتِ إِلَى النَّاسِ الَّذِي يُحِبُّ أَنْ يُؤْتَى إِلَيْهِ…
আমার আগে প্রত্যেক নবিকেই এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল যে, তিনি উম্মতের জন্য যে কল্যাণক বিষয় জানতে পেরেছেন তা তাদের বলে দেবেন এবং তিনি যে অনিষ্টকর ব্যাপার জানতে পেরেছেন সে ব্যাপারেও তাদেরকে সতর্ক করবেন। এই উম্মতের প্রথম অংশে কল্যাণ ও মঙ্গল দান করা হয়েছে, এর শেষ অংশের মানুষ বিভিন্ন পরীক্ষা ও বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। একের পর এক এমন সব বিপর্যয় আসতে থাকবে যে, একটির তুলনায় আরেকটি ছোট মনে হবে। একটি বিপর্যয়ে পড়ে মুমিন ব্যক্তি বলবে, এটা তো আমার জীবন কেড়ে নেবে! তারপর যখন তা দূর হয়ে নতুন বিপর্যয় আসবে, তখন সে বলবে, এটা তো আরও ভয়ানক! তাই যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে দুরে থাকতে চায় এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে চায়, তার মৃত্যু যেন এমন অবস্থায় আসে যে, সে আল্লাহ ও আখেরাতের ওপর ঈমান রাখে এবং সে যেন মানুষের সাথে এমন আচরণ করে যে আচরণ সে তার নিজের জন্য পছন্দ করে।…
সূত্র: সহিহ মুসলিম