• শুক্রবার   ০৯ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২৫ ১৪২৯

  • || ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
আওয়ামী লীগ কারও পকেটের সংগঠন নয়: প্রধানমন্ত্রী তারেককে এনে সাজা বাস্তবায়ন করা হবে: শেখ হাসিনা নয়াপল্টনে লাশ ফেলার দুরভিসন্ধি কার্যকর করেছে বিএনপি: কাদের ক্রিকেট দলের জয়ের ধারা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রপতি ২০২৪-এর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন, ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী মিরাজের অবিশ্বাস্য সেঞ্চুরি, বাংলাদেশের ২৭১ সমুদ্রকে নিরাপদ রাখতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী চলমান সকল যুদ্ধ থামান: বিশ্ব নেতাদের প্রতি শেখ হাসিনা বৈশ্বিক বাণিজ্যের স্বার্থে সমুদ্রকে নিরাপদ রাখা আবশ্যক ছাত্রলীগের প্রার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সমুদ্র সৈকতে ইন্টারন্যাশনাল ফ্লিট রিভিউ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে বিকেলে জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী আজ দ্বিতীয় ওয়ানডে, ভারতের বিপক্ষে আরেকটি সিরিজ জয়ের হাতছানি জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আ.লীগকে ভোট দেয়: শেখ হাসিনা ব্যাংকে টাকা আছে, সমস্যা নাই: প্রধানমন্ত্রী জনগণ স্বতস্ফুর্তভাবে আ.লীগকে ভোট দেয়: শেখ হাসিনা ছাত্রলীগকে গুজবের জবাব দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৩০০ কোটি মানুষের বাজার ধরতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান কৃষি জমি নষ্ট করে শিল্পকারখানা নয়: প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র সমুন্নত রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ: শেখ হাসিনা

জুলাইয়ে বেড়েছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২  

দেশে এক মূল্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ও মেয়াদহীন ডাটা প্যাকেজ চালু হয়েছে। এরপর থেকে বেড়েছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা।

চলতি বছরের (২০২২) জুলাই মাসের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা হিসাব করে এ তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

তথ্য অনুযায়ী, জুনের তুলনায় জুলাই মাসে প্রায় ১৪ লাখ নতুন ডেটা ব্যবহারকারী গ্রাহক বেড়েছে। আর জুলাই মাসের ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েছে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। ফলে মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২ দশমিক ৭৬ কোটিতে পৌঁছেছে।

রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জাগো নিউজকে বলেন, সারাদেশে এক মূল্যে ব্রডব্যান্ড পরিষেবার কারণে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে। আর মোবাইল ডাটা ব্যবহারকারীর বেশি হওয়ার কারণ হলো, এখন সবগুলো মোবাইল কোম্পানি ডাটা ব্যবহারে আনলিমিটেড সময় দিচ্ছে।

তিনি বলেন, এই বছর আমরা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে স্পেকট্রাম বরাদ্দ দিয়েছি। অপারেটররা স্পেকট্রাম স্থাপন শুরু করলে আরও ভালো মোবাইল ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যাবে। তখন আরও বাড়বে গ্রাহক সংখ্যা।

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে চারটি মোবাইল কোম্পানি মিলে গ্রাহক সংখ্যা হচ্ছে ১৮ কোটি ৪০ লাখ ১ হাজার।

এর আগে ৩১ আগস্ট জাতীয় সংসদে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যা ৮ কোটি ৪০ লাখ, সিমের সংখ্যা ১১ কোটি ১৪ লাখ। আর রবি আজিয়াটার গ্রাহক সংখ্যা ৫ কোটি ৪৮ লাখ, সিমের সংখ্যা ১০ কোটি ২৬ লাখ। বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন লিমিটেডের গ্রাহক সংখ্যা ৩ কোটি ৮৫ লাখ, সিমের সংখ্যা ৮ কোটি ২৬ লাখ। টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের গ্রাহক সংখ্যা ৬৭ লাখ এক হাজার, সিমের সংখ্যা ১ কোটি ৩৩ লাখ।

গ্রাহক সংখ্যা বলতে মন্ত্রী জানিয়েছেন, বায়োমেট্রিক ভেরিফাইড সাবস্ক্রিপশন বুঝানো হয়েছে, যারা গত তিন মাসে অন্তত একবার উক্ত মোবাইল নেটওয়ার্কে সক্রিয় ছিলেন।