• শুক্রবার   ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২১ ১৪২৯

  • || ১১ রজব ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের বিকল্প নেই জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ভাষা-সাহিত্য চর্চাও ডিজিটাল করার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ মানহীন শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত বেকার বাড়ছে: রাষ্ট্রপতি গণতান্ত্রিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে চায় এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবী মুসলিম উম্মাহকে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান দেশের ব্যাপক উন্নয়ন বিবেচনায় নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকলেই মানুষের উন্নতি হয়: প্রধানমন্ত্রী আমি জোর করে দেশে ফিরেছিলাম, আ.লীগ পালায় না: শেখ হাসিনা আজ ১১ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ১-৭ মার্চ মোবাইলে কল করলেই শোনা যাবে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিন: প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস রুখে দিতে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে পুলিশ

মহাকাশে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে ধরা পড়লো ‘সৃষ্টির স্তম্ভ’

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২২  

মহাকাশে নতুন এক পরিক্রমায় প্রবেশ করেছে নাসার সুপার স্পেইস (অত্যাধুনিক মহাকাশ) টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব। এরই মধ্যে মহাকাশের সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্যকে ক্যামেরাবন্দি করেছে যন্ত্রটি। এটিকে বলা হচ্ছে, ‘সৃষ্টির স্তম্ভ’।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পৃথিবী থেকে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার আলোকবর্ষ দূরত্বে সার্পেন্স নভোমন্ডলে কথিত ‘সৃষ্টির স্তম্ভগুলো’ শীতল, হাইড্রোজেন গ্যাস ও ধুলোর মিশ্রণে ঘন মেঘ। প্রত্যেক বড় টেলিস্কোপ সেই চিত্র ধারণ করেছে। এর মধ্যে ১৯৯৫ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দ্য হাবল অবসারভ্যাটরি টেলিস্কোপটি ছিল জনপ্রিয়। তবে জেমস ওয়েব আমাদের অন্য এক অবিশ্বাস্যের ইঙ্গিত করলো।

স্তম্ভগুলো মেসিয়ার ১৬ (এম১৬) বা দ্য ঈগল নিহারিকার মূলকেন্দ্রে শায়িত অবস্থায় রয়েছে। এটি একটি সক্রিয় তারকা-গঠন অঞ্চল।

নতুন জন্ম নেয়া সূর্যের কার্যক্রম পরীক্ষা করতে স্তম্ভের ধূলিকণার আলো-বিক্ষিপ্ত প্রভাবগুলোর অতীত দেখতে সক্ষম ওয়েবের অবলোহিত শনাক্তকরণগুলো।

ইউরোপিয়ান মহাকাশ সংস্থার বিজ্ঞানের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা অধ্যাপক মার্ক মক্কাওঘরেন বলেন, ১৯৯০ সালে মাঝামাঝি থেকে আমি দ্য ঈগল নেবুলা (নিহারিকা) নিয়ে কাজ করছি। আমি আলোকবর্ষের ভেতর লম্ব স্তম্ভ দেখার চেষ্টা করেছি। এখন হাবল সেটি দেখালো। এর ভেতর আমি তাদের ভিতরে তরুণ তারকাদের খুঁজছি। আমি জানতাম জেমস ওয়েব সেটির ছবি তুলতে পারবে এবং এগুলো হবে অসাধারণ। তা আজ দেখতে পেলাম।

তারকাদের খুব কাছে থেকে অতিবেগুনি রাশ্মির তীব্রতায় দ্য এম ১৬ আলোকিত ও ভাস্কর্য হয়েছে। সেই বিকিরণ টাওয়ারগুলোকেও ভেঙে ফেলছে।

প্রকৃতপক্ষে, আপনি যদি জাদুকরীভাবে নিজেকে আজ সেই দৃশ্যে নিয়ে যেতে পারেন, তবে স্তম্ভগুলো সম্ভবত সেখানে আর থাকবে না। স্তম্ভগুলো অতীত হওয়ায় আমরা তাদের দেখতে পাচ্ছি।

জেমস ওয়েব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপিয়ান এবং কানাডার মহাকাশ সংস্থার যৌথভাবে করা একটি প্রকল্প। এটি ২০২১ সালের ডিসেম্বরে যাত্রা করেছিল এবং এটিকে দ্য হাবল মহাকাশ টেলিস্কোপের উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।