• বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ৮ ১৪৩০

  • || ১০ শা'বান ১৪৪৫

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
অশিক্ষার অন্ধকারে কেউ থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী একুশ মাথা নত না করতে শেখায়: প্রধানমন্ত্রী একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আগামীকাল মিউনিখ সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে নিমন্ত্রণ বাংলাদেশের গুরুত্ব বুঝায় গুণীজনদের সম্মাননা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি একুশে পদকপ্রাপ্তদের অনুসরণ করে তরুণরা সোনার বাংলা বিনির্মাণ করবে আজ একুশে পদক তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী বরই খেয়ে দুই শিশুর মৃত্যু, কারণ অনুসন্ধান করবে আইইডিসিআর দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত জবাব দিন: প্রধানমন্ত্রী গাজায় যা ঘটছে তা গণহত্যা: শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, আজারবাইজান থেকে বড় বিনিয়োগ আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শান্তি ফর্মুলা বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার সহযোগিতা চাইলেন জেলেনস্কি কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন শেখ হাসিনা কিছু খুচরো দল তিড়িং বিড়িং করে লাফাচ্ছে: শেখ হাসিনা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন

ঘুরে আসুন ৪০০ বছরের পুরোনো ‘ট্রি হাউজ’ থেকে

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪  

আমরা আমাদের এই জীবনটা সুন্দর ভাবে কাটাতেই পছন্দ করি। আর সেই জীবনে আমরা চাই, শুধুই অ্যাডভেঞ্চার আর অ্যাডভেঞ্চার। তার জন্য আমরা নানা রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করি। যেমন- কখনো যাই বনে জঙ্গলে, আবার কখনো পাহাড় সমুদ্রে।
যারা এরকম ভাবে অ্যাডভেঞ্চারের সাহায্যে নিজেদের জীবনকে উপভোগ করতে চান, তাদের জন্য রইল একটা নতুন ঠিকানা।

আমাদের পৃথিবীতে নির্বিবাদে গাছ কেটে দেওয়া হয়। গাছকে সঙ্গে করে নয়, গাছ কেটে সেই জায়গার ওপড়ে বানানো হয় বাড়ি। কিন্তু এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে কিন্তু এরকম অনেক মানুষ আছেন যারা সত্যিই প্রকৃতিপ্রেমী। ভালোবাসেন প্রকৃতিকে।

তাই গাছ কেটে নয়, গাছকে সঙ্গী বানিয়ে তৈরি করলেন সাধের বাড়ি। বলছি কেরলের দম্পতি পলসন ও এলজা’র কথা। তাদের ইচ্ছা ছিল প্রকৃতির সঙ্গে বসবাস। আর তাই জঙ্গলের মধ্যেই গাছের ওপর বানালেন বাড়ি।

এই স্বামী-স্ত্রী দুজনেই দীর্ঘ দিন দুবাইতে ছিলেন। কিন্তু সেখানে একদম তাদের ভালো লাগছিল না। কারণ সেখানে গাছপালা নেই। প্রায়ই তারা চিন্তা ভাবনা করতেন কেরালায় ফেরার। তাদের চার সন্তানও যেন এক প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকতে পারে সেটা করার জন্য তারা  দুবাই থেকে ফিরে গেলেন কেরালায়।

মুন্নারের খুব কাছে দবগিরি নামক জায়গায় পলসনের দাদু জমি কিনেছিলেন, সেখানে চাষবাস করতে শুরু করেন। কোনো গাছ কাটেননি। বন্য প্রাণী যাতে গাছের কোনো ক্ষতি না করে তার জন্য গাছের ওপর একটি ওয়াচটাওয়ার তৈরি করেন, আর সেই ওয়াচ টাওয়ার দেখে তিনিও ভাবেন এরকম ট্রি হাউজ বানাবেন । আর তাই দুবাই থেকে ফিরে তাই করলেন।

এই ট্রি হাউজ তৈরি করতে তারা ৪০০ বছর পুরোনো একটি কালোজামের গাছ বাছাই করে নেন। ১০ ফুট উঁচু দোতলা বাড়ি তৈরি করেন গাছের ওপর। এই বাড়ি তৈরিতে কোনো কৃত্রিম উপকরণ ব্যবহার হয়নি। এই বাড়িতে আছে চারটি ঘর, সবকটাতেই রয়েছে আলাদা স্নানঘর। বাড়ির আশেপাশে হচ্ছে চাষবাস। আর সেই বাড়ির একতলা  থেকে সবটা দেখা যায়।

জঙ্গলের মাঝে প্রকৃতির কোলে থাকতে কেরলের এই ট্রি হাউজে যেতেই পারেন। পলসন জানান, ‘যেকোনো প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ যদি আমাদের বাড়িতে এসে থাকেন, তাহলে  জঙ্গলের মাঝেই বাড়িতে বানানো খাবারের স্বাদ উপভোগ করতে পারবেন। আর এই সবুজে ঘেরা চারপাশ দেখলে মন ভালো হবেই’।