• রোববার   ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৫ ১৪২৯

  • || ০৫ রজব ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় রাজশাহীবাসী, ব্যাপক জনসমাগমের প্রস্তুতি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ সাধারণ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আপনি কি আল্লাহর ফেরেস্তা, ফখরুলকে কাদেরের প্রশ্ন কাউকে সম্প্রীতি নষ্ট করতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন রোল মডেল: প্রধানমন্ত্রী বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে কাস্টমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে একাত্তরে গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমার ব্যর্থতা থাকলে খুঁজে বের করে দিন: প্রধানমন্ত্রী পরবর্তী লক্ষ্য স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন স্কাউট প্রশিক্ষণ পায়: প্রধানমন্ত্রী সংঘাত, সন্ত্রাস ও ক্ষমতা দখলকে পেছনে ফেলে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র ২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় হবে ১২ হাজার ডলার: প্রধানমন্ত্রী টেক্কা দিয়ে বাংলাদেশের এগোনো অনেকের পছন্দ না: প্রধানমন্ত্রী জনগণের পয়সায় সুযোগ-সুবিধা, তাদের সেবা করুন বাবার পরিচয়হীন সন্তানের অভিভাবক হবেন মা- হাইকোর্টের রায় অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ২৫ নির্দেশনা জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে: ডিসিদের প্রধানমন্ত্রী

জাফলংয়ে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারি ২০২৩  

পর্যটন মৌসুমে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেটের জাফলং দেশ-বিদেশের পর্যটক দর্শনার্থীদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে। তীব্র শীতেও ঢল নেমেছে দেশের অন্যতম এ পর্যটন কেন্দ্রে।

শুধু জাফলং নয়, সিলেট অঞ্চলের সব পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের আনাগোনায় দু’বছরের ক্ষতির পর সুবাতাস বইছে পর্যটনশিল্পে। জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে প্রতিটি পর্যটন স্পটের গুরুত্বপূর্ণ সবকটি পয়েন্টে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তায় পুলিশের একাধিক টিমের টহলও চোখে পড়ে।

জানা গেছে, সিলেট থেকে সড়ক পথে জাফলংয়ের দূরত্ব ৫৬ কিলোমিটার। মেঘালয়ের বিশাল খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড় থেকে নেমে আসা শীতল পানির স্পর্শে শিহরিত হতে দলে দলে পর্যটকরা ছুটে আসছেন জাফলংয়ে। শীত উপেক্ষা করে সকাল থেকে কুয়াশায় ঢাকা থাকে জাফলং। মনোরম সৌন্দর্যের জাফলংয়ে এসে পর্যটকরা প্রকৃতিকে ছুঁয়ে মুগ্ধ।

স্থানীয় প্রশাসন পর্যটকদের জিরো পয়েন্টে যাওয়ার জন্য সিঁড়ি বানিয়ে দিয়েছে। বসার জায়গা ও ওয়াশরুম স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হয়েছে। বেড়াতে আসা পর্যটকরা চাচ্ছেন আরও সুবিধা।

ঢাকা থেকে গেছেন পর্যটক দম্পতি আমিনা রাসেল; তারা জানান, জাফলং আগেও এসেছি আজও আসছি। খুব ভালো এখানকার পরিবেশ প্রকৃতি। এখানকার প্রকৃতি যেন মন ছুঁয়ে যায়।

দিনাজপুর থেকে যাওয়া শিউলী জানান, পাহাড় টিলা সবুজের সমারোহ, স্বচ্ছ জলরাশি, দিগন্তজোড়া নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক মনোমুগ্ধকর দৃশ্যাবলি পর্যটকদের হৃদয়ে বাড়তি আনন্দের খোরাক জোগায়। সরকারি উদ্যোগে জাফলংকে দ্রুত পর্যটন অবকাঠামোগত উন্নয়নের আওতায় নিয়ে আসা হলে জাফলং থেকে প্রতি বছর সরকার প্রচুর পরিমাণ রাজস্ব আদায় করতে পারবে।

হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও রেস্টহাউস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদের দাবি, আলাদা পর্যটন মন্ত্রণালয় করার গেলে এই শিল্পের আরও প্রসার ঘটবে।