• বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ৮ ১৪৩০

  • || ১০ শা'বান ১৪৪৫

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
অশিক্ষার অন্ধকারে কেউ থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী একুশ মাথা নত না করতে শেখায়: প্রধানমন্ত্রী একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আগামীকাল মিউনিখ সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে নিমন্ত্রণ বাংলাদেশের গুরুত্ব বুঝায় গুণীজনদের সম্মাননা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি একুশে পদকপ্রাপ্তদের অনুসরণ করে তরুণরা সোনার বাংলা বিনির্মাণ করবে আজ একুশে পদক তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী বরই খেয়ে দুই শিশুর মৃত্যু, কারণ অনুসন্ধান করবে আইইডিসিআর দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত জবাব দিন: প্রধানমন্ত্রী গাজায় যা ঘটছে তা গণহত্যা: শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, আজারবাইজান থেকে বড় বিনিয়োগ আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শান্তি ফর্মুলা বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার সহযোগিতা চাইলেন জেলেনস্কি কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন শেখ হাসিনা কিছু খুচরো দল তিড়িং বিড়িং করে লাফাচ্ছে: শেখ হাসিনা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন

নগরীর সাত খালের প্রাণ ফেরাতে খনন কাজ শুরু

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪  

বরিশালে জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরীর ২৪টি খালের মধ্যে প্রধান সাত খালের প্রাণ ফেরাতে খনন কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। বিভিন্ন স্থানের খাল খনন পরিদর্শন করে দেখা গেছে এমন দৃশ্য।

জানা গেছে, বাংলাদেশ স্বাধীনতার পূর্বে বরিশালে ৪৬ টি খালের অস্তিত্ব ছিলো। তবে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এ সংখ্যা কমে হয় ২৪। বর্তমানে বড়-ছোট মিলিয়ে টিকে থাকা ২৪টি খালও পড়েছে অস্তিত্ব সংকটে। দখল-দূষণ আর অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে টিকে থাকা খালগুলো মরা খালে পতিত হচ্ছে। আর হারিয়ে গেছে ২২টি খাল। এর মধ্যে এখন প্রাথমিক ভাবে সাতটি প্রধান খালের খনন কাজ শুরু হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, বরিশাল নগরীর সাত খাল খননে ছয় কোটি সাত লাখ টাকা ব্যয়ে কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে এক কোটি ৩৫ লাখ টাকায় পলাশপুর খাল (১৭০০ মিটার), এক কোটি ৯ লাখ টাকায় আমানতগঞ্জ খাল (২০৫০ মিটার), দুই কোটি ৬৭ লাখ টাকায় সাগরদী খাল (৯ কিলোমিটার), ২৮ লাখ টাকায় রুপাতলী খাল (এক কিলোমিটার), ৩২ লাখ টাকায় চাঁদমারি খালের (১৪২১ মিটার), চার লাখ টাকায় ভাটার খাল (১৬০ মিটার) ও ২৮ লাখ ৬৭ হাজার টাকায় জেল খালের (২ কিলোমিটার)। সর্বমোট ১৯ কিলোমিটারে পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনার কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে খননকাজ শেষ হওয়ার কথা।

এরইমধ্যে চাঁদমারি শোভা রাণী খালের খননকাজ প্রায় শেষ। সাগরদী ও পলাশপুর খালের কাজও চলছে।