• সোমবার ১৫ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ২ ১৪৩১

  • || ০৫ শাওয়াল ১৪৪৫

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
নতুন বছর মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে : প্রধানমন্ত্রী আ.লীগ ক্ষমতায় আসে জনগণকে দিতে, আর বিএনপি আসে নিতে: প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতির দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কিশোর অপরাধীদের মোকাবেলায় বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রতি বিএনপির কোনো দায়বদ্ধতা নেই : ওবায়দুল কাদের ব্রাজিলকে সরাসরি তৈরি পোশাক নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জুলাইয়ে ব্রাজিল সফর করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী আদর্শ নাগরিক গড়তে প্রশংসনীয় কাজ করেছে স্কাউটস: প্রধানমন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় স্কাউট আন্দোলনকে বেগবান করার আহ্বান তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইলাতুল কদর মানবজাতির অত্যন্ত বরকত ও পুণ্যময় রজনি শবে কদর রজনিতে দেশ ও মুসলিম জাহানের কল্যাণ কামনা প্রধানমন্ত্রীর সেবা দিলে ভবিষ্যতে ভোট নিয়ে চিন্তা থাকবে না জনপ্রতিনিধিদের জনসেবায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে পারলে ভোটের চিন্তা থাকবে না দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে প্রেসিডেন্টকে শেখ হাসিনার চিঠি রূপপুরে আরেকটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য আহ্বান

আটা-ময়দা-সুজি দিয়ে ওষুধ তৈরি, রয়েছে মৃত্যুঝুঁকি!

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২ এপ্রিল ২০২৪  

রাজধানীতে বিপুল পরিমাণ ভেজাল ওষুধসহ চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আটা, ময়দা ও সুজি দিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করে বাজারে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে। যে ওষুধ মানুষের জীবন বাঁচায়, সেগুলোই হয়ে উঠছে মৃত্যুর কারণ। ওষুধের পরিবর্তে আটা, ময়দা ও সুজি দিয়ে তৈরি অ্যান্টিবায়োটিক কোনো কাজেই আসার কথা নয়।

অথচ ওষুধের নামে এসব জিনিসই সারা দেশে ছড়িয়ে দিচ্ছে চক্র। সম্প্রতি এমনই প্রায় ৫ লাখ পিস নকল ওষুধসহ চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করছে ডিবি। চক্রটি প্রায় ৮ থেকে ১০ বছর যাবত ভেজাল অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের কারবার করে আসছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ।

ডিএমপির ডিবি প্রধান সোমবার (১ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলনে জানান, ময়দা ও সুজিসহ বিভিন্ন উপাদান দিয়ে চক্রটি নকল অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ তৈরি করছিল। আবু বকর নামে একজন এটা তৈরি করে দিয়ে দিতেন শহীদুল নামে আরেকজনের কাছে। শহীদুল ওই ওষুধ বরিশালে গুদামজাত করতেন। এরপর সেখান থেকে সারা দেশে তারা বাজারজাত করতেন। শুধু গোডাউন থেকেই ২ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। 

ভেজাল ওষুধের কারবারে ইউনানি, আয়ুর্বেদিক কোম্পনির সঙ্গে কিছু বিক্রয়কর্মীও জড়িত জানিয়ে হারুন অর রশিদ বলেন, কিছু বিক্রয়কর্মীও এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন। এতে ভালো ভালো কোম্পানির নাম ওষুধের গায়ে লিখা থাকছে। তাই আমরা কোম্পানিগুলোকে অবগত করেছি। আর জড়িতদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।  

এর সঙ্গে কোনো রাঘববোয়াল আছে কিনা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান গোয়েন্দা পুলিশের এ কর্মকর্তা।