• শনিবার ২৫ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১১ ১৪৩১

  • || ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪৫

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
ঢাকায় কোনো বস্তি থাকবে না, দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে অগ্নিসংযোগকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি বঙ্গবাজারে বিপণী বিতানসহ চারটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন নজরুলের বলিষ্ঠ লেখনী মানুষকে মুক্তি সংগ্রামে উদ্দীপ্ত করেছে জোটের শরিক দলগুলোকে সংগঠিত ও জনপ্রিয় করতে নির্দেশ সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে রেমাল বঙ্গবাজার বিপনী বিতানসহ ৪ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী কৃষিতে ফলন বাড়াতে অস্ট্রেলিয়ার প্রযুক্তি সহায়তা চান প্রধানমন্ত্রী বাজার মনিটরিংয়ে জোর দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদক’ দেবে বাংলাদেশ ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক রাইসি-আমির আব্দুল্লাহিয়ান মারা গেছেন: ইরানি সংবাদমাধ্যম সকল ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিতে কাজ করছে বিএসটিআই: প্রধানমন্ত্রী চাকরির পেছনে না ছুটে যুবকদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান ‘সামান্য কেমিক্যালের পয়সা বাঁচাতে দেশের সর্বনাশ করবেন না’ ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আগামীকাল ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচারকদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নগরীতে টাকার জন্য রোগী আটকে রাখায় গ্রেপ্তার ৩

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল ২০২৪  

টাকার জন্য রোগী আটকে রাখার অভিযোগে ‌‘বরিশাল হেলথ কেয়ার ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার তিনজনসহ অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জনকে আসামি করে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগি নাছিমা বেগম। মামলা নং ৪১/২৫১। আসামিরা হলো- ভান্ডারিয়ার মাটিভাঙ্গার আঃ মজিদ খানের ছেলে ও মালিক বরিশাল হেলথ কেয়ার ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার মোঃ নিয়াজুর রহমান, রুপাতলীর আহম্মদ মোল্লা সড়কের মৃত হাতেম আলী হাওলাদারের ছেলে ও মালিক বরিশাল হেলথ কেয়ার ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার মোঃ সাঈদ, ভোলার আলী নগরের আঃ মালেকের ছেলে মোঃ জাবেদ (২৫) । মামলা সূত্রে জানা যায়- নাছিমা বেগম বিভিন্ন বাসা বাড়ীতে কাজ করেন।

তার বড় মেয়ে মুনিয়া (১২) বাড়ীতে থাকাকালীন গত ১৩ এপ্রিল মিনি স্ট্রোক করেন। এ সময় শরীরের বাম পাশ্ব সামান্য অবাস হয়। ভুয়া ডাক্তার জাবেদ আলী মুনিয়ার অসুস্থতার কথা শুনে বরিশাল শের-ই-বাংলা হাসপাতালে তার অনেক পরিচিত ডাক্তার আছে এবং কম খরচে চিকিৎসা করিয়ে দিবে বলে ১৬ এপ্রিল সকালে ভোলা থেকে লঞ্চযোগে বরিশালে এনে শের-ই-বাংলা হাসপাতালে না নিয়ে নগরীর ৯নং ওয়ার্ডের প্যারারা রোডের “বরিশাল হেলথ কেয়ার ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার” নিয়া যায়। তখন মুনিয়াকে ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। ডা: মোঃ হাবিবুর রহমান তালুকদার মুনিয়াকে দেখে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা দেন। এ সময় ক্লিনিকের স্টাফরা পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য ১৫ হাজার ৭৫০ টাকা দাবি করেন।

এতো টাকা দিতে পারবে না জানালে বরিশাল হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক মালিক অর্থাৎ মোঃ নিয়াজুর রহমান ও মোঃ সাঈদ বলেন যা আছে তা দেও এবং বাকি টাকা বাড়ি থেকে এনে দ্রুত জমা দেও। তাদের কথামতো ৮ হাজার টাকা দেয়া হয়। মুনিয়কে ক্লিনিক থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বাকি টাকাসহ ক্লিনিকে ভর্তির টাকা পরিশোধ করতে বলেন। টাকা নেই জানালে ক্লিনিক থেকে মুনিয়কে নিয়ে যেতে দিবে না বলে হুমকি প্রদান করে। মুনিয়া রাতে ভিষন অসুস্থ থাকা সত্বেও ক্লিনিক থেকে তাকে কোন ঔষধ দেয়নি এবং খোঁজ খবরও নেয়নি।

মুনিয়ার চিকিৎসার কাগজপত্র দেখিয়ে সদর রোড ও গীর্জ মহল্লার বিভিন্ন দোকান ও পথচারীদের কাছে ভিক্ষা করে টাকা জোগার করা শুরু করেন নাছিমা বেগম। এসময় স্থানীয়রা তাকে ভিক্ষা করার কারন জিজ্ঞাসা করলে তাদের কাছে চিকিৎসার বিষয়ে বিস্তারিত বলেন। তখন স্থানীয় লোকজন নিয়ে মোঃ নিয়াজুর রহমান ও মোঃ সাঈদের পরিচালিত বরিশাল হেলথ কেয়ার ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে প্রদানকৃত টাকা ফেরৎ চাওয়াসহ মুনিয়ার নাম কেটে দেয়ার জন্য বললে আসামিরা টাকা ফেরৎ দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

তাৎক্ষনিক বিষয়টি থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থল এসে মুনিয়াকে উদ্ধার করেন এবং আসামীদের গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। কোতয়ালী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আমানউল্লাহ আল-বারি বলেন- আটকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামীদের আটকে তৎপরতা চালানো হচ্ছে।