• শনিবার ২৫ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১১ ১৪৩১

  • || ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪৫

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
ঢাকায় কোনো বস্তি থাকবে না, দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে অগ্নিসংযোগকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি বঙ্গবাজারে বিপণী বিতানসহ চারটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন নজরুলের বলিষ্ঠ লেখনী মানুষকে মুক্তি সংগ্রামে উদ্দীপ্ত করেছে জোটের শরিক দলগুলোকে সংগঠিত ও জনপ্রিয় করতে নির্দেশ সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে রেমাল বঙ্গবাজার বিপনী বিতানসহ ৪ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী কৃষিতে ফলন বাড়াতে অস্ট্রেলিয়ার প্রযুক্তি সহায়তা চান প্রধানমন্ত্রী বাজার মনিটরিংয়ে জোর দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদক’ দেবে বাংলাদেশ ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক রাইসি-আমির আব্দুল্লাহিয়ান মারা গেছেন: ইরানি সংবাদমাধ্যম সকল ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিতে কাজ করছে বিএসটিআই: প্রধানমন্ত্রী চাকরির পেছনে না ছুটে যুবকদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান ‘সামান্য কেমিক্যালের পয়সা বাঁচাতে দেশের সর্বনাশ করবেন না’ ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আগামীকাল ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচারকদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির

একসঙ্গে পাস করলেন মা-মেয়ে

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৪ মে ২০২৪  

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে চলতি বছর একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন মা ও মেয়ে। তবে মা নুরুন্নাহার বেগম কারিগরি বিভাগ থেকে এবং মেয়ে চাতলপাড়া ওয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

মা নুরুন্নাহার বেগম বেগম জিপিএ ৪.৫৪ এবং মেয়ে নাসরিন জিপিএ ২.৬৭ পেয়েছেন।

নুরুন্নাহারের বয়স ৪৪ বছর ও নাসরিনের বয়স ১৮ বছর। নুরুন্নাহার বেগম নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়ন পরিষদের (১.২.৩ নং ওয়ার্ডের) সংরক্ষিত সদস্য।

এসএসসি পরীক্ষায় মা ও মেয়ের একসঙ্গে পাস করার ঘটনা এলাকায় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। লোকজন ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার নুরুন্নাহার বেগমের প্রশংসা করছেন। নুরুন্নাহারের পরিবারেও বইছে আনন্দের বন্যা। স্বজনরা ছুটে আসছেন তাঁর বাড়িতে।

এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে নুরুন্নাহার বেগমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমার মেয়েও আমার সাথে পাস করেছে, এতে আমি মহাখুশি। তিনি বলেন, আমি আরও পড়তে চাই। নিজের দুই সন্তানকেও পড়ালেখা শিখিয়ে মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। পড়াশোনার কোনো বয়স নেই বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, অষ্টম শ্রেণীতে পড়ার সময় তার বিয়ে হয়। শ্বশুরবাড়ির লোকজন ছিলেন রক্ষণশীল। এ অবস্থায় পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারিনি। এক পর্যায়ে মেম্বার নির্বাচিত হই। এ নিয়ে দুইবার মেম্বার। সবার অনুমতি নিয়ে আবার পড়াশুনা করি। কেননা, লেখাপড়ার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করি।

নুরুন্নাহারের ছোট ভাই স্বপন আহমেদ বলেন, বোনের পাস করার খবরে কি যে খুশি হয়েছি তা বলে বুঝানো যাবে না। একইসঙ্গে ভাগ্নিও পাস করেছে।