• শনিবার ২৫ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১১ ১৪৩১

  • || ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪৫

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
ঢাকায় কোনো বস্তি থাকবে না, দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে অগ্নিসংযোগকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি বঙ্গবাজারে বিপণী বিতানসহ চারটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন নজরুলের বলিষ্ঠ লেখনী মানুষকে মুক্তি সংগ্রামে উদ্দীপ্ত করেছে জোটের শরিক দলগুলোকে সংগঠিত ও জনপ্রিয় করতে নির্দেশ সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে রেমাল বঙ্গবাজার বিপনী বিতানসহ ৪ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী কৃষিতে ফলন বাড়াতে অস্ট্রেলিয়ার প্রযুক্তি সহায়তা চান প্রধানমন্ত্রী বাজার মনিটরিংয়ে জোর দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদক’ দেবে বাংলাদেশ ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক রাইসি-আমির আব্দুল্লাহিয়ান মারা গেছেন: ইরানি সংবাদমাধ্যম সকল ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিতে কাজ করছে বিএসটিআই: প্রধানমন্ত্রী চাকরির পেছনে না ছুটে যুবকদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান ‘সামান্য কেমিক্যালের পয়সা বাঁচাতে দেশের সর্বনাশ করবেন না’ ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আগামীকাল ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচারকদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সুরা ইনফিতারে শেষ বিচারের বর্ণনা

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১২ মে ২০২৪  

সুরা ইনফিতার‌ কোরআনের ৮২তম সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ১৯টি। সুরা ইনফিতার‌ মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। সুরা ইনফিতারের আলোচ্য বিষয় কেয়ামত, আখেরাতের হিসাব-নিকাশ, বিশ্বাসীদের প্রতিদান, অবিশ্বাসীদের শাস্তি ইত্যাদি। হাদিসে এসেছে নবিজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কেউ যদি কেয়ামত চোখের সামনে দেখতে চায়, সে যেন সুরা ইনফিতার, সুরা তাকভীর ও সুরা ইনশিকাক পড়ে। (সুনানে তিরমিজি) আরেকটি হাদিসে এসেছে নবিজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাহাবি মুআজকে (রা.) নামাজে অন্য কিছু সুরার সাথে সুরা ইনফিতার পড়ার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন এ সুরাগুলোতে কেয়ামতের দৃশ্যাবলি, ভালো ও মন্দ আমলের প্রতিদান ও শাস্তির আলোচনা এসেছে এবং আল্লাহর অকৃতজ্ঞতার জন্য মানুষকে ভর্ৎসনা করা হয়েছে। (আত-তাফসিরুল মুনির)

সুরা ইনফিতারের ১৩-১৯ আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন,

(১৩)
إِنَّ الْأَبْرَارَ لَفِي نَعِيمٍ
ইন্নাল আবরারা লাফী নাঈম।
সৎকর্মশীলগণ থাকবে জান্নাতে।

(১৪)
وَإِنَّ الْفُجَّارَ لَفِي جَحِيمٍ
ওয়া ইন্নাল ফুজ্জারা লাফী জাহীম।
এবং দুষ্কর্মকারীরা থাকবে জাহান্নামে;

(১৫)
يَصْلَوْنَهَا يَوْمَ الدِّينِ
ইয়াসলাওনাহা ইয়াওমাদ্দীন।
তারা বিচার দিবসে তথায় প্রবেশ করবে।

(১৬)
وَمَا هُمْ عَنْهَا بِغَائِبِينَ
ওয়ামা হুম আনহা বিগাইবীন।
তারা সেখান থেকে পৃথক হবে না।

(১৭)
وَمَا أَدْرَاكَ مَا يَوْمُ الدِّينِ
ওয়ামাআদরা-কা মা-ইয়াওমুদ্দীন।
আপনি জানেন বিচার দিবস কী?

(১৮)
ثُمَّ مَا أَدْرَاكَ مَا يَوْمُ الدِّينِ
সুম্মা মা আদরাকা মা ইয়াওমুদ্দীন।
অতঃপর আপনি জানেন, বিচার দিবস কি?

(১৯)
يَوْمَ لا تَمْلِكُ نَفْسٌ لِنَفْسٍ شَيْئاً وَالْأَمْرُ يَوْمَئِذٍ لِلَّهِ
ইয়াওমা লা তামলিকু নাফসুল লিনাফছিন শাইআওঁ ওয়াল আমরু ইয়াওমাইযিল লিল্লাহি।
যেদিন কেউ কারও কোন উপকার করতে পারবে না এবং সেদিন সব কর্তৃত্ব হবে আল্লাহর।

এ আয়াতগুলো থেকে যে শিক্ষা ও নির্দেশনা আমরা পাই:

১. কেয়ামত ও হিসাব নিকাশ হয়ে যাওয়ার পরে মানুষ দুদলে ভাগ হয়ে যাবে। কাফের ও পাপাচারীরা চিরকালের জন্য জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে, মুমিন ও নেক আমলকারীরা জান্নাতের অনন্ত সুখময় জীবনে প্রবেশ করবে।

২. ইয়াওমুদ-দীন বা বিচার দিবস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। সেদিন প্রত্যেকের হিসাব নিকাশ হবে এবং চিরকালীন গন্তব্য নির্ধারিত হবে।

৩. শেষ বিচারের দিন কোনো বন্ধুত্ব, আত্মীয়তা, সম্পর্ক বা সুপারিশ কাজে আসবে না। আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কেউ কথা বলতে পারবে না, সুপারিশ করতে পারবে না। জালিমরা আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কোনো আশ্রয় খুঁজে পাবে না। সব কিছু আল্লাহর ইচ্ছায় নির্ধারিত হবে।