• রোববার   ২৭ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১২ ১৪২৯

  • || ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
দুপুরে সচিবদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চার করে ডা. মিলন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র: রাষ্ট্রপতি মিছিল-মিটিংয়ে আপত্তি নেই, মানুষের ওপর হামলায় সহ্য করবো না ‘যারা গ্রেনেড দিয়ে আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা? যারা উন্নয়ন দেখে না, তারা চাইলে চোখের ডাক্তার দেখাতে পারে- প্রধানমন্ত্রী অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সক্ষম হয়েছি: প্রধানমন্ত্রী যোগাযোগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সহযোগিতা চায় আমিরাত আ.লীগ স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধুর খুনিকে লালন-পালন করছে: প্রধানমন্ত্রী সচিব সভায় ১০ নির্দেশনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী ব্যাংকে টাকা না থাকার গুজবে চোরেরা সুযোগ নেবে: প্রধানমন্ত্রী ‘রিজার্ভ নিয়ে সমস্যা নেই, সব ব্যাংকে টাকা আছে’ ‘যা চাইবেন তার চেয়ে বেশি দেবো, ওয়াদা দেন নৌকায় ভোট দেবেন’ রক্ত ও হত্যা ছাড়া বিএনপি কিছু দিতে পারেনি : প্রধানমন্ত্রী বিমানবাহিনী এখন অনেক বেশি শক্তিশালী, আধুনিক ও চৌকস: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনও গতিশীল, নিরাপদ: প্রধানমন্ত্রী যশোরে বিমান বাহিনীর কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী আমাদের ছেলে-মেয়েরা একদিন বিশ্বকাপ খেলবে: প্রধানমন্ত্রী দেশে শ্রমঘন ও স্বল্প পুঁজির এসএমই উদ্যোক্তা তৈরি করা প্রয়োজন

প্রকৃতির ক্ষতি করে প্রকল্প নেওয়া যাবে না

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৩ নভেম্বর ২০২২  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রকৃতির ক্ষতি করে প্রকল্প নেওয়া যাবে না। হাওর, পানি, খাল-বিল, ছোট মাছ, ঘাস, লতাপাতা ও প্রকৃতির ডিস্টার্ব করে প্রকল্প নেওয়া যাবে না। এগুলোর যেন ক্ষতি করা না হয়। এছাড়া বারবার প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো যাবে না। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় তিনি এই নির্দেশনা দেন। একইসঙ্গে ফসলের গুণগতমান ও পুষ্টিগুণ নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাককে পদক্ষেপ নিতে বলেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরেন।

একনেক বৈঠক (ছবি: ফোকাস বাংলা)

কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারকরণ প্রকল্পের আওতায় হাওর ও চর এলাকায় ফসল উৎপাদনে জোর দিচ্ছে সরকার। এজন্য মঙ্গলবার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে একনেক। পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় ১৫৪ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো, পুষ্টিমান ও খাদ্য নিরাপত্তা বিবেচনায় সুনির্দিষ্ট ফসলের উৎপাদনশীলতা ৮ থেকে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করা। নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ ফসল গ্রাম সৃজনের মাধ্যমে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জনে অবদান রাখা।

একনেক বৈঠক (ছবি: ফোকাস বাংলা)

৪৯ জেলার ১৫৫টি উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্প এলাকার গড় শস্যের নিবিড়তা বাড়ানো হবে। প্রকল্প এলাকায় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জনের লক্ষ্যে বায়ো-ফর্টিফাইড ফসল আবাদ সম্প্রসারণ, উচ্চমূল্যের ফসল আবাদ সম্প্রসারণ, উন্নত কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে উদ্ভাবিত জাত/প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, নিরাপদ ফসল উৎপাদন বাড়বে।

প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় প্রধানমন্ত্রী অনুশাসনের কথা তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, বড় পরিমাণে ফসল ফলাতে বলেছেন সরকারপ্রধান। ফসলের গুণগতমান ও পুষ্টিগুণ নিশ্চিত করতে বলেছেন, সুগন্ধ নয়। ফসল সংরক্ষণে অন্য দেশের প্রযুক্তি ব্যবহার করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। ফসল সংরক্ষণে প্রয়োজনে ডাচদের অনুসরণের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।