• মঙ্গলবার   ০৯ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৫ ১৪২৯

  • || ১০ মুহররম ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বঙ্গমাতার মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে বঙ্গমাতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বাধীনতার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর সারথি ছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল: রাষ্ট্রপতি ফজিলাতুন নেছা মুজিব দৃঢ়চেতা-বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী আজ বাংলাদেশে সহায়তা অব্যাহত রাখবে চীন: ওয়াং ই চীনে ৯৯ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি মায়ের দুধ শিশুর সর্বোত্তম খাবার: রাষ্ট্রপতি শেখ কামাল ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী: প্রধানমন্ত্রী শেখ কামাল ছিলেন ক্রীড়া ও সংস্কৃতিমনা সুকুমার মনোবৃত্তির মানুষ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের মর্যাদাকে সমুন্নত করবে যুবসমাজ ‘শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিখুন’ ঘাতকরা আজও তৎপর, আমাকে ও আ’লীগকে সরাতে চায়: প্রধানমন্ত্রী বিচারকদের সততা-নিষ্ঠা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে: রাষ্ট্রপতি একনেকে ২ হাজার কোটি টাকার ৭ প্রকল্প অনুমোদন বাঁধ টেকসই করতে বেশি করে ঝাউগাছ লাগানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার’ পেলো বাংলাদেশ বিএনপির আমলে মানুষের ভোটের অধিকার ছিল না: প্রধানমন্ত্রী

কুখ্যাত ইনডেমনিটির বৈধতায় কলঙ্কিত হয় সংসদ

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ৫ জুলাই ২০২২  

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। হত্যার ৪২ দিনের মাথায়, ২৬ সেপ্টেম্বর কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে খুনি খোন্দকার মোশতাক। অধ্যাদেশে যেকোনো আদালতে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার বিচারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। কলঙ্কিত এ অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করেন জিয়াউর রহমান।

১৯৭৯ সালের ৪ এপ্রিল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমান সংসদে পঞ্চম সংশোধনী বিলটি উত্থাপন করেন। যথাযথ নিয়ম না মেনে বিলটি সংসদে আনার বিরোধিতা করে ৪৫ জন সাংসদ ‘না’ ভোট দেন। এরপরও কোনোকিছুর তোয়াক্কা না করে ৫ এপ্রিল বিলটি পাস করার জন্য সংসদে উত্থাপন করা হয় এবং পঞ্চম সংশোধনী পাস করিয়ে নেয়।

বিল নিয়ে সংসদে বিতর্কের সময় তৎকালীন সাংসদ শাহজাহান সিরাজ এই বিলের বিরোধিতা করে একে ‘কালা কানুন’ বলে অভিহিত করেন। এছাড়াও জনাব রাশেদ খান মেনন, আসাদুজ্জামান খানসহ আরও অনেকেই একে ‘কালো আইন’ বলে অভিহিত করেন এবং এই সংশোধনীকে দেশের জন্য অমঙ্গলজনক হিসেবে চিহ্নিত করেন।

এই সংশোধনী জাতির পিতাকে হত্যার বিচারের পথ রুদ্ধ করার অধ্যাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়াসহ আরও অসংখ্য বর্বর হত্যাকাণ্ড, নির্যাতনের বিচার না হওয়ার পথকে প্রশস্ত করেছিল।

সরকারি দলের নেতা ইঙ্গিত দিয়েছিল যে, ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসেছেন। এ কথার প্রসঙ্গে কুমিল্লা-৩ আসনের সাংসদ জনাব মিজানুর রহমান চৌধুরী প্রশ্ন তোলেন, ৭ নভেম্বরের আগে ১৫ আগস্ট থেকে মার্শাল ল’ র অধীনে হয়ে যাওয়া সমস্ত অন্যায়, নির্যাতন, জুলুমকে কেন legal cover দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমি দুঃখিত যে, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টে মানুষের আপিল শোনার যে অধিকার সেটা একটা আইনের মাধ্যমে নিয়ে যাচ্ছেন, আবার বলছেন আপনি গণতন্ত্র দিবেন’।

এভাবেই ন্যায্য বিচার পাওয়ার মৌলিক অধিকার নষ্ট করাকে তারা নাম দিয়েছিল মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ। এবং এই মৌলিক অধিকার হরণের আইন সংসদে পাস হয়ে পরবর্তীতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাক্ষরে অনুমোদিত হয়।

এরপর বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে যখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যখন শপথ নেয় তখন তার সামনে সুযোগ এসেছিল এই কালো আইনটি বাতিল করার। আওয়ামী লীগ এই ইনডেমনিটি আইন বাতিল এর জন্য বিল এনেছিল। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া এই ইনডেমনিটি আইন বাতিলে অস্বীকৃতি জানান। এর মাধ্যমে তিনি অমানবিকতার একটি জ্বলন্ত উদাহরণ সৃষ্টি করেন।