• বৃহস্পতিবার   ২৮ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ১২ ১৪২৮

  • || ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১৪ নভেম্বর জাতীয় প্রয়োজনে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকবে ‘বাঙালির পিতার নাম শেখ মুজিবুর’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন বেসরকারি খাতে উদ্যোক্তা তৈরিতে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ বাংলাদেশ হবে প্রাচ্য-পাশ্চাত্যের সেতু, এখানে বিনিয়োগ করুন বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: শেখ হাসিনা দেশের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের বিষয়ে সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী মাঝে মধ্যে কিছু ঘটিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন পায়রা সেতুতে হাঁটতে পারলে ভালো লাগতো: প্রধানমন্ত্রী সিলেট-ঢাকা চার লেনের নির্মাণকাজের উদ্বোধন বাংলাদেশকে কেউ আর পিছিয়ে রাখতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী স্বপ্নের পায়রা সেতু উদ্বোধন পায়রা সেতুর উদ্বোধন আজ, দক্ষিণাঞ্চলের আরেকটি স্বপ্নপূরণ নেতাকর্মীদের নজরদারি বাড়াতে বললেন শেখ হাসিনা কুমিল্লার ঘটনা দুঃখজনক, অপরাধীর বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী ‘দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি পণ্য হবে ডিজিটাল ডিভাইস’ সরকারের ধারাবাহিকতা আছে বলেই উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী বিদেশে বিনিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী পূর্বাচলে প্রদর্শনীকেন্দ্র উদ্বোধন করবেন আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মা-বাবার সেবাযত্নসহ ৬ শর্তে মুক্তি পেলো ৭০ শিশু

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২১  

সুনামগঞ্জে মা-বাবার সেবাযত্নসহ ছয় শর্তে ৫০ মামলায় লঘু অপরাধে অভিযুক্ত ৭০ শিশুকে মুক্তি দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৩ অক্টোবর) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাকির হোসেন এ আদেশ দেন। পরে তাদের প্রত্যেককে একটি করে ডায়েরি ও ফুল দেওয়া হয়। এসময় ৭০ শিশুর মা-বাবা ও স্বজনরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট হাসান মাহবুব সাদী বলেন, সুনামগঞ্জে ৫০ মামলায় কোমলমতি ৭০ শিশুকে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে জড়ানো হয়েছিল। এসব শিশুরা আদালতে নিয়মিত হাজিরা দিতে হত। ফলে শিশুদের ভবিষ্যৎ ও শিক্ষা জীবন ব্যাহত হচ্ছিল। এসব অসুবিধা বিবেচনা করে আদালত ছয় শর্তে তাদের মুক্তি দেন।

শর্তগুলো হলো- প্রতিদিন দুটি ভাল কাজ করে আদালতের দেওয়া ডায়েরিতে লিখে রাখতে হবে এবং বছর শেষে ডায়েরি আদালতে জমা দিতে হবে। মা-বাবা ও গুরুজনদের আদেশ মানতে হবে, তাদের সেবাযত্ন ও কাজে সাহায্য করতে হবে। নিয়মিত ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও ধর্মকর্ম করতে হব। অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে ও মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে।

সংশোধনের সুযোগ পাওয়া শিশুরা আদালতের আদেশ সঠিকভাবে পালন করছে কী না সেটি পর্যবেক্ষণের জন্য জেলা সমাজসেবা প্রবেশন কর্মকর্তা মো. সফিউর রহমানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রবেশন কর্মকর্তা মো. সফিউর রহমান বলেন, যে ছয় শর্তে শিশুদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে সেগুলো তারা সঠিকভাবে পালন করছে কী না সেটি আমি দেখবো। পরে আদালতে সে বিষয়ে রিপোর্ট জমা দেবো। সুনামগঞ্জে মা-বাবার সেবাযত্নসহ ছয় শর্তে ৫০ মামলায় লঘু অপরাধে অভিযুক্ত ৭০ শিশুকে মুক্তি দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাকির হোসেন এ আদেশ দেন। পরে তাদের প্রত্যেককে একটি করে ডায়েরি ও ফুল দেওয়া হয়। এসময় ৭০ শিশুর মা-বাবা ও স্বজনরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট হাসান মাহবুব সাদী বলেন, সুনামগঞ্জে ৫০ মামলায় কোমলমতি ৭০ শিশুকে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে জড়ানো হয়েছিল। এসব শিশুরা আদালতে নিয়মিত হাজিরা দিতে হত। ফলে শিশুদের ভবিষ্যৎ ও শিক্ষা জীবন ব্যাহত হচ্ছিল। এসব অসুবিধা বিবেচনা করে আদালত ছয় শর্তে তাদের মুক্তি দেন।

শর্তগুলো হলো- প্রতিদিন দুটি ভাল কাজ করে আদালতের দেওয়া ডায়েরিতে লিখে রাখতে হবে এবং বছর শেষে ডায়েরি আদালতে জমা দিতে হবে। মা-বাবা ও গুরুজনদের আদেশ মানতে হবে, তাদের সেবাযত্ন ও কাজে সাহায্য করতে হবে। নিয়মিত ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও ধর্মকর্ম করতে হব। অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে ও মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে।

সংশোধনের সুযোগ পাওয়া শিশুরা আদালতের আদেশ সঠিকভাবে পালন করছে কী না সেটি পর্যবেক্ষণের জন্য জেলা সমাজসেবা প্রবেশন কর্মকর্তা মো. সফিউর রহমানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রবেশন কর্মকর্তা মো. সফিউর রহমান বলেন, যে ছয় শর্তে শিশুদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে সেগুলো তারা সঠিকভাবে পালন করছে কী না সেটি আমি দেখবো। পরে আদালতে সে বিষয়ে রিপোর্ট জমা দেবো।