• শুক্রবার   ১২ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৮ ১৪২৯

  • || ১৩ মুহররম ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যার নির্দেশ বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মানবাধিকার কমিশনকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ৪০০তম ওয়ানডে খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তা: বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার অবদান রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বঙ্গমাতার মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে বঙ্গমাতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বাধীনতার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর সারথি ছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল: রাষ্ট্রপতি ফজিলাতুন নেছা মুজিব দৃঢ়চেতা-বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী আজ বাংলাদেশে সহায়তা অব্যাহত রাখবে চীন: ওয়াং ই চীনে ৯৯ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি মায়ের দুধ শিশুর সর্বোত্তম খাবার: রাষ্ট্রপতি শেখ কামাল ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী: প্রধানমন্ত্রী শেখ কামাল ছিলেন ক্রীড়া ও সংস্কৃতিমনা সুকুমার মনোবৃত্তির মানুষ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের মর্যাদাকে সমুন্নত করবে যুবসমাজ ‘শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিখুন’ ঘাতকরা আজও তৎপর, আমাকে ও আ’লীগকে সরাতে চায়: প্রধানমন্ত্রী

অর্থের অভাবে কিডনি বিক্রি করছেন সাধারণ আফগানরা!

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২২  

কাজ হারিয়ে চরম আর্থিক সঙ্কটে পড়েছে আফগানিস্তানে সাধারণ মানুষ। এখন দু’বেলা দু’মুঠো খাবার জোটাতে তাদের বিক্রি করতে হচ্ছে শীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনি। সেখানে ৪ থেকে ৮ হাজার ডলারে বিক্রি হচ্ছে একেকটি কিডনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গোলাম হযরত, দেশটির হেরাত অঞ্চলের বাসিন্দা। দারিদ্রের কারণে চার সন্তানের এই জনক বাধ্য হয়েছেন নিজের কিডনি বিক্রি করতে। তিনি বলেন, আমার পক্ষে রাস্তায় বের হয়ে ভিক্ষা করা সম্ভব না। কিন্তু আবার এদিকে ঘরে খাবারও নেই। তাই কি করব। বাধ্য হয়েই নিজের কিডনি বিক্রি করেছি যাতে সন্তানদের মুখে অন্তত দু’বেলা খাবার তুলে দিতে পারি।

আফগানরা পাগলের মতো হন্য হয়ে চাকরি খুঁজছেন। কিন্তু তারা কাজ না পেয়ে বাধ্য হয়ে ঘরের আসবাবপত্র বিক্রি করছেন। বিক্রি করছেন শরীরের অঙ্গও। কেউ আবার বাধ্য হয়ে বিক্রি করছে নিজের সন্তানকেই।

একদিকে পশ্চিমা সহায়তা আসা বন্ধ, অন্যদিকে বিভিন্ন ব্যাংকে আটকে দেওয়া হয়েছে আফগানিস্তানের রিজার্ভের অর্থ। ফলে চরম অর্থনৈতিক সংকটে দেশটির বাসিন্দারা। ফলে বাধ্য হয়েই তারা বিক্রি করছেন নিজেদের কিডনি।

আফগান চিকিৎসক নাসির আহমেদ বলেন, যারা কিডনি বিক্রি করছেন তাদের ৯৯ শতাংশই দারিদ্রের কারণে এই পথে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। বাকি মাত্র ১ শতাংশ নিজেদের স্বজনদের সহায়তার জন্য কিডনি দান করছেন।

আহমেদ শেকিব নামে এক চিকিৎসক বলেন, অর্থনৈতিক কারণে যারা কিডনি বিক্রি করছেন তাদের অধিকাংশই ভয়াবহ স্বাস্থ্য সংকটে পড়বেন। কারণ অর্থাভাবে খাদ্য সংকটের কারণে এমনিতেই তারা ভয়াবহ অপুষ্টির শিকার। তারপর একটি কিডনি না থাকায় তাদের নানা রকম শারীরিক জটিলতা দেখা দেবে।

প্রসঙ্গত, আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে এরইমধ্যে ৫ বিলিয়ন ডলার অর্থসহায়তার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।